খবর লাইভ : আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু মিছিল। বিস্ফোরণের জেরে ভয়াবহ অবস্থা। পোড়া, ঝলসানো, ছিন্নভিন্ন দেহ চেনার উপায় নেই। মর্গে লাশের পাহাড়! পুড়ে কার্যত ছাই হয়ে গিয়েছে দেহগুলো! যদিও বা কিছুটা অবশিষ্ট থাকে, সেটাও ছিন্নভিন্ন! পরিচয় জানা তো দূরস্ত, অনেকের দেহটাই আলাদা করা যাচ্ছে না! এই পরিস্থিতিতে, ডিএনএ-র নমুনা দিতে হাসপাতালে ভিড় করছেন মৃতদের নিকটাত্মীয়রা।
গতকালই এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছিলেন, ‘আসার পর দেখলাম ধ্বংসাবশেষ পড়ে রয়েছে।আগুন লেগেছে। চারিদিকে ধোঁয়া। কিছু দেখা যাচ্ছে না।’ বলার অপেক্ষা রাখে না, অসংখ্য পরিবার চরম উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষায় রয়েছেন। গতকাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, মৃতদেহের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে।’ এদিকে সূত্রের খবর, এবার নিহত যাত্রীদের শনাক্তকরণের জন্য স্বজনহারারা ডিএনএ ভেরিফিকেশনের অপেক্ষায় রয়েছেন।
বৃহস্পতিবারের পর আমেদাবাদ হয়ে উঠেছে দুঃস্বপ্নের আরেক নাম! আমদাবাদের ভয়াবহ বিপর্যয়ে নিমেষে শেষ হয়ে গেছে ২৬৫টা প্রাণ। উদ্ধারকারী দলের সদস্য বলছেন, চিনতেই পারছিলাম না। যে এরা আমাদের সহকর্মীরা। চিনতেই পারছিলাম না। একটা টুকরো এদিকে। আরেকটা টুকরো ওদিকে। বোয়িং ড্রিমলাইনারকে সবাই বেছে নেন মূলত দু’টো কারণে, নিরাপত্তা এবং স্বাচ্ছন্দ্য। সেখানেও যে এরকম নিয়তি অপেক্ষা করে আছে, তা কে জানতো।




