খবর লাইভ :কলকাতা হাই কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি শেষ হল। মহার্ঘ ভাতা নিয়ে রাজ্যের পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে মামলার শুনানি শেষ হয়েছে শুক্রবার। তবে রায়দান স্থগিত রেখেছে হাই কোর্টের বিচারপতি হরিশ টন্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের বেঞ্চ। রায় শোনার অপেক্ষায় নবান্ন ও রাজ্য সরকারের কর্মীরা।
বৃহস্পতিবার শুনানিতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, ৩১ অগস্ট ২০১৮ সালে হাইকোর্ট ট্রাইব্যুনালকে দু’টি বিষয় ঠিক করতে নির্দেশ দিয়েছিল। নির্দেশে বলা হয়েছিল, ডিএ কর্মচারীদের অধিকার। পাশাপাশি রাজ্যের কর্মচারীও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের হারে ডিএ পাবে কি না, সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। আর দিল্লির বঙ্গভবনে কর্মরত কর্মচারীরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাচ্ছেন সেটাও অপরিবর্তিত থাকবে কি না, তাও জানতে চাওয়া হয়। নির্দেশ সবটাই রাজ্যের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, রাজ্যের যে কর্মচারীরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাচ্ছেন তাদের থেকে সেটা ফেরত নেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু সবাইকে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় হার অনেক বেশি। রাজ্য সামর্থ্য মত ১৬ শতাংশ ডিএ ইতিমধ্যে দিয়ে দিয়েছে।
এদিন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের পক্ষে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সওয়াল করেন। তিনি ডিএ বঞ্চনা নিয়ে যুক্তিগুলি সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। তবে এদিন রায় দেওয়া হয়নি। রায় দান আগামী সপ্তাহে হওয়ার সম্ভাবনা। কলকাতা হাইকোর্টে মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, হাইকোর্টই রায় দিয়েছিল ডিএ কর্মচারীদের অধিকার। এটা কোনও দয়ার দান নয়। তাহলে রাজ্য সরকার কেন তা দেবে না? সেইসঙ্গে বিকাশবাবু আরও বলেন, মূল্য সূচকের ভিত্তিতে সমস্ত রাজ্য সরকার ডিএ দেয়। তাহলে বাংলায় কেন তা থেকে বঞ্চিত হবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা?
পাল্টা অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, মূল্য সূচকের ভিত্তিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের যে ডিএ পাওয়া উচিত তা তাঁরা পান। ফলে নতুন করে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।




