খবর লাইভ : আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৪-এ। যদিও সরকারিভাবে এখনও কোনও নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান জানানো হয়নি। জানা গিয়েছে, বিমানে থাকা ২৪২ জনের মধ্যে ২৪১ জনই প্রাণ হারিয়েছেন। দুর্ঘটনার দিন রাতে গুজরাত পুলিশ ২৬৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছিল। তবে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও মৃতদেহ ও দেহাংশ উদ্ধারের ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বেড়েছে। শনিবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ২৭৪। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে গিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক বিশ্বাসকুমার রমেশ। বৃহস্পতিবার তাঁর সঙ্গে হাসপাতালে দেখা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর, শুক্রবার সকাল সকাল তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই আতঙ্কের সেই মুহূর্তের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বিশ্বাসকুমার।
হদিশ মিলল দুটি ‘ব্ল্যাক বক্সে’র। বিমানে সচরাচর দুটি করে ব্ল্যাক বক্স থাকে। একটি সামনের দিকে, একটি পিছনের দিকে। দুটি ব্ল্যাক বক্সের হদিশই পাওয়া গিয়েছে। সেটি অক্ষত আছে। বিমানের লেজের অংশে থাকা কমলা রঙের এই ডিভাইসটি দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
শনিবার স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনেক নিহত ব্যক্তির সম্পূর্ণ দেহ পাওয়া যায়নি। ধ্বংসস্তূপ থেকে বিচ্ছিন্ন দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে—কোথাও শুধু একটি হাত, কোথাও আবার পায়ের অংশ মিলেছে। গুজরাত প্রশাসন ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। বিমানযাত্রী বা দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত যাঁরা নিখোঁজ, তাঁদের পরিবারের সদস্যদের থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে শনাক্তকরণের জন্য।
মেঘানিনগর এলাকায় এখনো উদ্ধারকাজ চলছে। জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর দল নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। ধ্বংসস্তূপ এখনও পুরোপুরি সরানো সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকারী কর্মীদের মতে, ধ্বংসাবশেষ সরাতে আরও সময় লাগবে। তাই এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না, কেউ ভিতরে চাপা পড়ে আছেন কি না। পুরো ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার হওয়ার পরই সরকারিভাবে মৃত্যুর চূড়ান্ত সংখ্যা জানা যাবে।




