খবর লাইভ : উত্তরাখণ্ডের জোশীমঠ বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৩। এখনও নিখোঁজ ১৬০ জন। তপোবন সুড়ঙ্গের ভিতরেও অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের খোঁজ পেতে জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছে। অন্যদিকে, ১২টি জেলার ৩৮৫টি গ্রাম চরম বিপদসীমায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। এই ৩৮৫টি গ্রামের সকল গ্রামবাসীকে নিরাপদে এখনই সরাতে গেলে দরকার ১০ হাজার কোটি টাকা। এজন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, রবিবার সকালে উদ্ধারকারীরা তপোবনের সুড়ঙ্গ থেকে আরও ৫টি দেহ উদ্ধার করেছেন। এখনও সুড়ঙ্গের ভিতর ২০ থেকে ৩০ জন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের অবিলম্বে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন। চামোলির জেলাশাসক স্বাতী ভাদোরিয়া বলেন, ‘উদ্ধারকাজ আরও জোরদার করা হচ্ছে। দেহ উদ্ধারের পর এলাকায় বাকি নিখোঁজদের সন্ধানে জোরদার তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’ তবে তাঁদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছে প্রশাসন।
অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত জানিয়েছেন, ধস, বিপর্যয়ের চরম বিপদসীমায় রয়েছে উত্তরাখণ্ডের মোট এক-তৃতীয়াংশ এলাকা। এর মধ্যে রয়েছে ১২টি জেলার ৩৮৫টি গ্রাম। এই ৩৮৫টি গ্রামের সকল গ্রামবাসীকে নিরাপদে এখনই সরাতে গেলে দরকার ১০ হাজার কোটি টাকা। এর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্য চাওয়া হয়েছে। যদিও ককেন্দ্রর তরফে এখনও কোনও জবাব মেলেনি। তবে ধসপ্রবণ এবং বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে থাকা ৫টি গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দাকে এবং গবাদি পশুকে দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করতে ইতিমধ্যে রাজ্য সরকার ২ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করেছে। সবমিলিয়ে, উত্তরাখণ্ডের পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক।




