খবর লাইভ : ‘লোকেরা আমাকে জিজ্ঞাসা করছে, জামা মসজিদ কবে খুলবে? কিন্তু আমি জবাব দিতে পারছি না।’ দিল্লিতে প্রার্থনালয়গুলি বন্ধ থাকায় উৎকন্ঠা প্রকাশ করে এমনই মন্তব্য করলেন জামা মসজিদের শাহি ইমাম সৈয়দ আহমেদ বুখারি। সংক্রমণের গ্রাফ কমতেই, আনলক হয়েছে দিল্লি। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, আনলক পর্বে যেখানে সবথেকে বেশি ভিড় হয়, সেই বার-রেস্তোরাঁ খুলে গেলেও এখনও বন্ধ প্রার্থনালয়গুলি। এনিয়েই এবার প্রশ্ন তুললেন জামা মসজিদের শাহি ইমাম।
দিল্লিতে বার-রেস্তোরাঁ তালামুক্ত হতেই, ভিড় শুরু অসচেতন বহু মানুষের। অথচ মসজিদে যেখানে প্রার্থনা করেন মুসল্লিরা, তা বন্ধ দীর্ঘ সময় ধরে। বন্ধ মন্দির-গুরুদুয়ারাও। এখানেই প্রশ্ন বুখারির। তাঁর বক্তব্য, দিল্লি সরকার বার-রেস্তোরাঁ খুলে দিয়েছে। কারণ তা থেকে সরকারের বহু লাভ হয়। সরকার সাধারণ মানুষের চেয়ে তার সুবিধাগুলি বেশি পছন্দ করে।তবে মানুষের সুবিধার্থে উপাসকদের ধর্মীয় স্থানগুলিতে অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল। সরকারি নির্দেশে বলা হয়েছে যে, মসজিদ-মন্দির-গুরুদ্বারগুলি খুলতে পারে। তবে ভক্তরা আসতে পারবেন না। এটা বোকামি। লোকেরা আমাকে জিজ্ঞাসা করছে জামা মসজিদ কবে খুলবে?’ শুধু তাই নয়। আগামী সোমবারের মধ্যে যাতে ধর্মীয় স্থানগুলিকে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হয়, বুখারি তারও একটি আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের কাছে।
বুখারির আরও প্রশ্ন, আমরা কতক্ষণ আমাদের ধর্মীয় স্থান বন্ধ রাখতে পারি? যদি করোনাভাইরাস তৃতীয় ঢেউ আসে, তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। ফের নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে। কেন্দ্রীয় সরকার লাল দুর্গ, তাজমহল এবং সমস্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলি ফের খুলেছে। কিন্তু দিল্লির ধর্মীয় স্থানগুলি এখনও খোলা হচ্ছে না। আগামী সোমবারের মধ্যে কেজরিওয়ালের এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন শাহি মসজিদের ইমাম।




