খবর লাইভ : করোনা টিকাকরণের কাজ শেষ হলেই মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার ঠাকুরনগরে মতুয়াদের সভায় এসে এই আশ্বাসই দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন অমিত শাহ বলেন, ‘মতুয়াদের যথাযোগ্য সম্মান দেবে বিজেপি। ৭০ বছর ধরে মতুয়া, নমঃশুদ্ররা নাগরিকত্ব পাননি। ২০১৮ সালে বলেছিলাম, মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেবে বিজেপি। ২০১৯ সালে মতুয়া সমাজ বিজেপির ঝুলি ভরে দিয়েছিল। ২০২০ সালে সিএএ নিয়ে এসেছি। করোনার জন্য সিএএ পিছিয়ে গিয়েছে। আমি যা বলি, তাই করি। ভ্যাকসিন পর্ব শেষ হলেই নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে যাবে।’
সভাতে অমিত সাফ জানান, বারবার তিনি ঠাকুরনগরে আসবেন। তিনি বলেন, ‘মমতা খুব খুশি হয়েছিলেন, আমি না আসায়। কিন্তু উনি না হারা অবধি আমি বারবার আসব। বাংলায় সরকার গড়বে বিজেপি। মমতার বিদায় নিশ্চিত।’ তিনি বলেছেন, ‘আমি জানি সিএএ নিয়ে আমি কী বলব তা জানতে তৃণমূল, সংবাদমাধ্যম মুখিয়ে রয়েছে।’ একইসঙ্গে বলেছেন, ‘কথা দিয়েছিলাম, ২০২০ তে সিএএ আনব। মুসলিমদের নাগরিকত্বও যাবে না।’
এদিন সভার শুরুতেই শাহ বলেন, ‘শান্তনুকে বলেছিলাম যে ঠাকুরনগরে আসব৷ আগেরবার আসতে পারিনি৷’ কিন্তু তাঁর কাছ থেকে উপস্থিত জনতা যে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে শুনতে চায়৷ তাই তিনি দেরি না করে এই বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন৷ তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করব৷ মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেব৷ ২০১৯ সালে মতুয়ারা আমাদের ভোট দিয়েছেন৷ আমরা সঙ্গে সঙ্গে আইন করেছি৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই আইন কার্যকরে বাধা দান করার হুমকি দিচ্ছেন৷ কিন্তু আমরা যা বলি তাই করি৷’ এরপর তিনি জানান যে, করোনার কারণে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করতে দেরি হচ্ছে৷ তবে দেশজুড়ে করোনার টিকাকরণের কাজ শেষ হলেই এই আইন কার্যকর হবে৷ এদিন একাধিক ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও সমালোচনা করেছেন শাহ৷ রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া সুবিধা সাধারণ মানুষকে পেতে দিচ্ছে না বলে আবারও অভিযোগ করেন তিনি৷



