খবর লাইভ : কেদারনাথ বিপর্যয়ের স্মৃতি উস্কে দিল উত্তরাখণ্ডের তুষারধস। উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে হিমবাহে ফাটল। যার জেরে তুষারধস নেমে ধূলিগঙ্গার বাঁধে ভাঙন ধরে। এর ফলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে আশেপাশের এলাকায়। ইতিমধ্যে ধূলিগঙ্গার দুপাশের গ্রামকে খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফে। তুষারধসের ফলে ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই বিদ্যুৎ প্রকল্পে কাজের সঙ্গে যুক্ত ১৫০ জনের বেশি শ্রমিকের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। জলের তোড়ে তাঁরা ভেসে যেতে পারেন বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। হরিদ্বার ও ঋষিকেশে ক্রমেই জলস্তর বাড়ছে। পাশাপাশি যোশীমঠ, বিষ্ণুপ্রয়াগ, কর্ণপ্রয়াগ, রুদ্রপ্রয়াগ নদীর জলস্তর বেড়ে যেতে পারে বলে চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে উদ্ধারকাজে নেমেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। এছাড়াও উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে ইন্দো-তিব্বতীয় সীমান্ত পুলিশ। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার। চামোলির জেলাশাসক নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে ধূলিগঙ্গার তীর থেকে আশেপাশের গ্রামের লোকেদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কেউ গুজবে কান না দেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার সবরকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেবে।




