খবর লাইভ : উত্তরাখণ্ডে বিপর্যয়ের ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ বলেন, ‘যোশীমঠের কাছে হিমবাহ ভেঙে পড়ে ধ্বংসের ঘটনায় আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। মানুষজনের সুরক্ষা ও সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি। আমি নিশ্চিত, উদ্ধারকাজ ও ত্রাণকাজ ভালোভাবেই চলছে।’
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উত্তরাখণ্ডের এই দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। সমগ্র ভারত উত্তরাখণ্ডের সঙ্গে রয়েছে। সবার সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করছি আমরা। উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অবিচ্ছিন্নভাবে কথা বলা হচ্ছে। এনডিআরএফ মোতায়েন, উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে সমস্ত খবরাখবর নিচ্ছি।’ একইভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ট্যুইটে উদ্বেগ প্রকাশ করে লেখেন, ‘উত্তরাখণ্ডের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বিষয়ে আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। আইটিবিপি ও এনডিআরএফের ডিজিদের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। সংশ্লিষ্ট সকল আধিকারিকরা যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে উদ্ধারকাজ করছেন। এনডিআরএফের দলগুলি উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। উত্তরাখণ্ডের দেবভূমিকে সব রকম সাহায্য প্রদান করা হবে।’
অন্যদিকে, উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয়ের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ট্যুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, ‘উত্তরাখণ্ডে বিপর্যয় ও মৃত্যুর ঘটনায় আমি শোকাহত। মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের লোকজনের প্রতি সমবেদনা জানাই। আহত ব্যক্তিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’
উল্লেখ্য, হিমবাহে ফাটল ধরে তুষারধসের ফলে ঋষিগঙ্গা নদীর ওপর বিদ্যুৎ প্রকল্পে ব্যাপক ক্ষতি হয়। নির্মীয়মাণ ওই প্রকল্পে কাজ করছিলেন ১৫০ জন শ্রমিক। এঁরা প্রত্যেকেই নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত দুজনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে এই ধ্বংসযজ্ঞে কতটা ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।




