

খবর লাইভ : যোশীমঠ নিয়ে ক্রমাগত বাড়ছে উদ্বেগ। সম্প্রতি যোশীমঠে ব্যাপক ফাটল দেখা দিয়েছে। অনেকেরই মতে, যোশীমঠের এই বিপর্যয়ের পেছনে রয়েছে উন্নয়নের নামে প্রকৃতিকে কাটাছেঁড়া করার পদক্ষেপ। তবে উন্নয়নের নামে প্রকৃতিকে নিয়ে কাটাছেঁড়া করা হয়েছে এবং হচ্ছে দেশের প্রায় প্রত্যেক রাজ্যেই। এবার যোশীমঠের সঙ্গে তুলনা করে রানীগঞ্জ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, আজ মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সাংবাদিকদের কাছে রানীগঞ্জ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তাঁর অভিযোগের আঙুল ছিল কেন্দ্রীয় সরকার এবং কোল ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে বলে জানা গিয়েছে। এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রানীগঞ্জ প্রসঙ্গে বলেন, “যোশীমঠের মতো অবস্থা হতে পারে রানীগঞ্জেরও। কেন্দ্রের নজর কেবল কয়লা খনিগুলির দিকে। কিন্তু, সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা নেই। রানীগঞ্জে প্রায়ই ধস নামে। এ ব্যাপারে বহুবার কেন্দ্রকে চিঠি লিখেছি। পরিত্যক্ত খনিগুলির দিকে নজর দেওয়া এবং ধস-কবলিত এলাকার বাসিন্দাদের পুনর্বাসন দেওয়ার কথা বলেছি। কিন্তু কেন্দ্র এই বিষয়ে কর্ণপাত করে না।
আমরা নিজেদের টাকা দিয়ে যতটা সম্ভব এলাকার উন্নয়নের চেষ্টা করেছি।” মুখ্যমন্ত্রী আশংকা প্রকাশ করেন রানীগঞ্জে যদি ধস নামে তাহলে অন্তত ২০-৩০ হাজার পরিবার বিপাকে পড়বেন। প্রসঙ্গত, কয়লা তুলে নেওয়ার পর খনিগুলি যদি ভরাঠ না করে দেওয়া হয়, তাহলে ধস নামার আশঙ্কা থেকে যায়। যোশীমঠ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর রানীগঞ্জ নিয়ে এই বিবৃতি যে যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। তবে রাণীগঞ্জ গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিবৃতির পর খনি ভরাট নিয়ে আদৌ কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয় কিনা সেটাই দেখার।



