International Special News Special Reports

সংঘর্ষ বিরতিতে ইরানের হামলা নিয়ে আমেরিকার কেন নিন্দা করেননি এরদোয়ান

0
(0)

খবর লাইভ : ইরানের পারমাণবিক ঘাঁটিগুলিতে আমেরিকার হামলার ঘটনায় ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বেশিরভাগ মিত্র এবং আঞ্চলিক অনেক রাষ্ট্র তীব্র সমালোচনা করলেও, তুরস্ক এখনও সরাসরি এই হামলার নিন্দা জানায়নি। এক টেলিভিশন ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এর লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধিকরণ ক্ষমতা ধ্বংস করা। ট্রাম্প বলেন,  ‘এই হামলা সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত সফল।

ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক ঘাঁটিগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তেহরানকে শান্তি স্থাপন করতে হবে, নইলে আরও বড় হামলার মুখোমুখি হতে হবে।’ তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হামলার কয়েক ঘণ্টা পর এক বিবৃতিতে সতর্ক করে জানায়, এই হামলা অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিবেশকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে তুরস্ক গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। চলমান এই ঘটনা আঞ্চলিক সংঘাতকে বিশ্বব্যাপী সংকটে রূপ দিতে পারে। আমরা চাই না এই বিপর্যয়কর পরিণতি বাস্তবে পরিণত হোক।’

এই বিবৃতির সুর তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের বক্তব্য থেকে ছিল অনেকটা ভিন্ন। তিনি তখন ইজরায়েলের চলমান হামলাগুলোকে ‘ডাকাতি’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। <span;>ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের প্রচেষ্টার বিরোধিতা করলেও, তুরস্ক বরাবর কূটনৈতিক সমাধানকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। ২০১০ সালে তুরস্ক ও ব্রাজিল মিলে একটি পারমাণবিক জ্বালানি বিনিময় চুক্তির মধ্যস্থতাও করেছিল।

ন্যাটোর সদস্য হলেও তুরস্কের ভূরাজনৈতিক কৌশল এবং আমেরিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তাকে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় প্রভাবশালী করে তোলে। এরদোয়ান সাধারণত এই ধরনের সংকটে একপাক্ষের অবস্থান না নিয়ে মধ্যস্থতা ও উত্তেজনা প্রশমনেই আগ্রহী থাকেন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *