National Special News Special Reports

৭২টিরও বেশি জঙ্গি লঞ্চপ্যাড সরিয়ে নিল পাকিস্তান, অপারেশন সিঁদুর-২এর জন্য প্রস্তুত বিএসএফ

0
(0)

খবর লাইভ : অপারেশন সিঁদুর-এর জন্য সীমান্ত বরাবর জঙ্গি ঘাঁটিগুলি ধ্বংসের পর পাকিস্তান ৭২টিরও বেশি জঙ্গি লঞ্চপ্যাডকে সীমান্ত থেকে গভীর অঞ্চলে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। তবে নয়াদিল্লি যদি ফের অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে শত্রুপক্ষকে চরম আঘাত হানার জন্য বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। বিএসএফ জানিয়েছে, ৭ থেকে ১০ মে, এই চার দিনের সংঘর্ষের পর সামরিক অভিযানে যে বিরতি দেওয়া হয়েছে, তাঁরা বর্তমানে তার প্রতি সম্মান জানাচ্ছেন।

বিএসএফ-এর ডিআইজি বিক্রম কুনওয়ার সাংবাদিকদের জানান, বিএসএফ যখন সীমান্ত বরাবর একাধিক জঙ্গি লঞ্চপ্যাড ধ্বংস করে দেয়, তখন পাকিস্তান সরকার সেই সব ঘাঁটিগুলিকে ‘গহীন অঞ্চলে’ সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে শিয়ালকোট এবং জাফরওয়াল-এর গহীন অঞ্চলে প্রায় ১২টি লঞ্চপ্যাড সক্রিয় রয়েছে। একই রকমভাবে, সীমান্তের থেকে দূরে অন্যান্য অঞ্চলে প্রায় ৬০টিরও বেশি লঞ্চপ্যাড কাজ করছে।

ডিআইজি কুনওয়ার জানান, এই লঞ্চপ্যাডগুলিতে জঙ্গি এবং তাদের সংখ্যা পরিবর্তনশীল।এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তারা সেখানে স্থায়ীভাবে বসে থাকে না। সাধারণত যখন জঙ্গিদের ভারতে প্রবেশ করাতে হয়, তখনই এই লঞ্চপ্যাডগুলি সক্রিয় হয়ে ওঠে।” ডিআইজি আরও জানান, বর্তমানে আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছাকাছি কোনও প্রশিক্ষণ শিবির নেই। তিনি বলেন,”আগে জয়েশ-ই-মহম্মদ নীচের দিকে এবং লস্কর-ই-তৈবা উপরের দিকে সক্রিয় থাকত। কিন্তু ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে তারা একটি মিশ্র গোষ্ঠী তৈরি করেছে।”

এই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বিএসএফ-এর আইজি (জম্মু ফ্রন্টিয়ার) শশাঙ্ক আনন্দ এবং ডিআইজি কুলবন্ত রাই শর্মাও উপস্থিত ছিলেন। আইজি শশাঙ্ক আনন্দ এদিন এও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, সরকার যদি ‘অপারেশন সিঁদুর’ পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে বিএসএফ সেই আদেশ মেনে চলতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, ১৯৬৫, ১৯৭১, ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধ বা অপারেশন সিঁদুর—যে কোনও ধরনের প্রচলিত বা হাইব্রিড যুদ্ধেই বিএসএফ-এর ভালো অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা প্রস্তুত।” তিনি আরও যোগ করেন, যদি আমরা সুযোগ পাই, তবে মে মাসে যা ক্ষতি করেছিলাম, তার চেয়েও বেশি ক্ষতি করতে সক্ষম আমরা। সরকার যে নীতিই স্থির করুক না কেন, বিএসএফ তাতে নিজেদের ভূমিকা পালন করবে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *