খবর লাইভ : শিয়ালদহ ডিভিশনে সুখবর। ছুটবে এবার এসি লোকাল ট্রেন। কিন্তু মানুষের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে, এসির ঠান্ডা তো খাব, কিন্তু পকেটে ছ্যাঁকা লাগবে না তো? ঠিক কত ভাড়া গুনতে হবে এসি লোকাল ট্রেনে আরামদায়ক যাত্রার জন্য? বড় আপডেট জানিয়ে দিল রেল। কার্যত জলের দরেই ভ্রমণ কড়া যাবে এই বাতানুকূল ট্রেনে । আর এর জন্য মাসিক সিজন টিকিটের (এমএসটি) অর্থাৎ মান্থলি চার্জ যথাক্রমে ৫৯০ টাকা এবং ৭৮০ টাকা হবে। ইতিমধ্যেই পূর্ব রেলের প্রিন্সিপাল চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার উদয়শংকর ঝা এই বিষয়ে ডিভিশনাল আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, এসি লোকালে যাত্রীরা যাতে সহজেই যাতায়াত করতে পারেন, তাই ভাড়া আয়ত্তের মধ্যেই রাখা হবে। কোনও ভাবেই এমন ভাড়া করা যাবে না যা যাত্রীদের আয়ত্তের বাইরে চলে যায়। এই বিষয়ে রেল বোর্ডের যে নির্দেশিকা আছে, তা মেনেই ভাড়া স্থির হচ্ছে।
মুম্বই, চেন্নাইয়ের পরে এসি লোকাল এবার বাংলায়।পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশন পেল এসি ইএমইউ কোচ। চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি তৈরি করেছে এই কোচটি। সূত্রের খবর, শিয়ালদহ-রাণাঘাট শাখায় প্রথম চলতে পারে এই এসি লোকাল।
রেল সূত্রে খবর, আপাতত ১২ কোচের দু’টি রেক দেওয়া হবে। তার একটি এসে গিয়েছে শিয়ালদহ ডিভিশনে। এই লোকাল ট্রেনের ধরন হবে অনেকটা মেট্রোর মতো। স্টেশনগুলিতে পৌঁছনোর পরে খোলা হবে দরজা। প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেন ছাড়লে ফের বন্ধ হয়ে যাবে সেটি।
এক্ষেত্রে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে যাত্রীদের যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে সেই কারণেই এই উদ্যোগ রেলের। সংশ্লিষ্ট দরজার নিয়ন্ত্রণ থাকবে ড্রাইভার-গার্ডের কাছে। তাঁরাই ট্রেনের বগিগুলির দরজা পরিচালনা করবে।
এই নতুন ইএমইউ ট্রেনের রুট এবং টাইম-টেবিল, এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। এই ট্রেনগুলির সর্বোচ্চ গতি ১১০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা হবে এবং এগুলি ২৫ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক মোটরে চলবে। এই ট্রেনগুলিতে ১১১৬ জন যাত্রীর বসার ব্যবস্থা আছে। ১২ কামরার এই লোকাল তৈরি হয়েছে স্টেনলেস স্টিল দিয়ে। প্রতিটি কামরায় চারটি স্বয়ংক্রিয় দরজা থাকছে।
জিপিএস নিয়ন্ত্রিত আধুনিক প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেমও থাকবে। ট্রেনে যাত্রীদের বসার এবং দাঁড়ানোর পর্যাপ্ত পরিসর থাকছে। পাশাপাশি মালপত্র বহনের জন্য অ্যালুমিনিয়ামের শক্তপোক্ত তাকও থাকবে।




