খবর লাইভ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পশ্চিম এশিয়া থেকে মার্কিন সেনা ও কূটনৈতিক কর্মীদের আংশিক প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, “এটি একটি ভয়ঙ্কর জায়গা হয়ে উঠতে পারে।” এই সিদ্ধান্তের পেছনে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং পরমাণু চুক্তি নিয়ে অচলাবস্থা রয়েছে।
নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে ইরাকের মার্কিন দূতাবাস থেকে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বাহরাইন ও কুয়েত থেকেও সেনা সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমেরিকা তার কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, পরমাণু চুক্তি ব্যর্থ হলে তারা পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাবে। তিনি বলেন, “এই অঞ্চলের সমস্ত মার্কিন সেনাঘাঁটি আমাদের নাগালে রয়েছে।”
ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে চায় এবং এজন্য কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রেখেছে। তবে, ইরান এখনও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে, যা পরমাণু চুক্তির জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রভাব ফেলছে। বুধবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৫% বেড়ে ৭০ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের খবর ও ইরান-ইজরায়েল উত্তেজনা দায়ী।
সামগ্রিকভাবে, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন উপস্থিতি হ্রাসের এই সিদ্ধান্ত অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে।




