ভাইরাল অডিও-কাণ্ডে (যদিও এই অডিও রেকর্ডের সত্যতা যাচাই করেনি খবর লাইভ) দানা বাধছে বিতর্ক। গত বৃস্পতিবার রাত থেকে সেই বিতর্ক আরও বেড়েই চলেছে। কেষ্টর পাশে দাঁড়ায়নি দল। বরং শুক্রবার অনুব্রতকে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। নিঃশর্ত ভাবে ক্ষমা না চাইলে তাঁকে শোকজও করা হবে বলে জানায় দল। এমন পরিস্থিতিতে কোনরকম সময় নষ্ট করেনি বীরভূমের কেষ্ট মণ্ডল। তড়িঘড়ি চিঠি লিখে পুলিসের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।
চিঠিতে অনুব্রত মণ্ডল লিখেছিলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে যে ঘটনাটি ঘটেছে তার জন্য সত্যিই আমি খুব দুঃখিত। আসলে দিদির পুলিসের কাছে একবার কেন, ১০০ বার ক্ষমা চাইতে পারি। আমি নানা রকমের ওষুধ খাই। দিদির পুলিসের বিরুদ্ধে কেও কোন কথা বললে, কোনরকম অভিযোগ করলে আমার মাথা গরম হয়ে যায়। কোন পুলিস বন্ধু আমায় ভুল বুঝলে তার জন্য আমি দুঃখিত আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’
অভিযোগ, গত বুধবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় অনুব্রত মণ্ডলের নাম করে বোলপুর থানার আইসি লিটন দাসকে ফোন করা হয়। সেই সঙ্গে অশ্রাব্য ভাষায় ওই আইসিকে গালিগালাজ করা হয় বলেও অভিযোগ। সোশাল মিডিয়া জুড়ে সেই অডিও রেকর্ড (যদিও এই অডিও রেকর্ডের সত্যতা যাচাই করেনি খবর লাইভ) তুমুল ভাইরাল হয়েছে। তারপর থেকেই গোটা বিষয়টি নিয়েই সরগরম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্য থেকে রাজনীতিতে।




