Special News Special Reports State

বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হলেও দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা এখনও দূরেই

0
(0)

খবর লাইভ : কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার আকাশে জমে উঠেছিল প্রায় আট কিলোমিটার উঁচু মেঘের স্তম্ভ। আর তারই জেরে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে তিন ঘণ্টায় ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টি পেল মহানগর। সল্টলেকে বৃষ্টির পরিমাণ ৮১ মিমি, দমদমে ৫৭ মিমি।

মঙ্গলবার ও বুধবার রাতে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় শুধু তুমুল বৃষ্টি নয়, সঙ্গী হয়েছিল ভয়াবহ বজ্রপাত। কয়েক মুহূর্ত পর পর কান ফাটানো বাজের আওয়াজে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন মানুষজন। তবে প্রকৃতি যত তাণ্ডবই দেখাক, রাজ্যের দক্ষিণ অংশে ‘যথাযথ’ বর্ষা নামতে এখনও কিছুটা দেরি রয়েছে বলেই মনে করছেন আবহবিদদের একাংশ। বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অবশ্য বজায় থাকবে দক্ষিণবঙ্গে।

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বাতাসের প্রভাবে ‘যথাযথ’ বর্ষা শুরু হওয়ার একাধিক শর্ত রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো—নির্দিষ্ট এলাকার অন্তত ৭০ শতাংশ ওয়েদার স্টেশনে জুন মাস পড়ার পর টানা দু’দিন ২.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে হবে।

এ ছাড়াও ওই এলাকায় বায়ুর চাপ কতটা এবং প্রতি বর্গমিটার এলাকা থেকে কত পরিমাণ তাপ বিকিরণ হচ্ছে — ‘মনসুন অনসেট’–এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্তের মধ্যে এই বিষয়ও রয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে এখনও এই সব ক’টি শর্ত ‘বর্ষাকাল’–এর উপযুক্ত হয়নি।

এ বছর দক্ষিণ–পশ্চিম মৌসুমি বাতাস ১ জুনের পরিবর্তে ২৪ মে কেরালায় প্রবেশ করেছে। উত্তরবঙ্গেও বর্ষা শুরু হয়েছে ৮ জুনের পরিবর্তে ২৯ মে। তার পর থেকেই দক্ষিণবঙ্গেও সময়ের কিছুটা আগে বর্ষা নামার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

কিন্তু এখনও পর্যন্ত তার লক্ষণ দেখা যায়নি। আবহবিদদের একাংশ মনে করছেন, কয়েক দিন আগে বঙ্গোপসাগরে যে নিম্নচাপটি তৈরি হয়েছিল, সেই নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর–পূর্ব ভারতে সময়ের আগে বর্ষা ঢুকলেও নিম্নচাপ জলীয় বাষ্প টেনে নিয়ে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার আগমন কিছুটা থমকে দিয়েছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *