খবর লাইভ : অসুস্থ বলে পুলিশকে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবীরা। বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে হুমকি এবং অশ্রাব্য গালিগালাজ-কাণ্ডে পর পর দু’দিন পুলিশি তলব এড়িয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু কেষ্ট মণ্ডলের ঠিক কী হয়েছে? ঠিক কী সমস্যা তাঁর? এ নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় একাধিক দাবি করলেন কেষ্ট।
তিনি বলেন, ‘‘আমার গলায় খুব ব্যথা। জ্বরও রয়েছে। খুব কাশছি। নাক দিয়ে জল গড়াচ্ছে।’’ মূল সমস্যা কী? অনুব্রত বললেন, ‘‘গলার ব্যথাটাই ভোগাচ্ছে।’’ অনুব্রত যে যে উপসর্গের কথা বলেছেন, তাতে কোভিডের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এখন আবার কোভিড বাড়তে শুরু করেছে। দেশের মধ্যে দিল্লি এবং বাংলাতেই কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি। অনুব্রত কি কোভিড পরীক্ষা করাবেন? কেষ্ট বললেন, ‘‘ভাবছি কালকে (মঙ্গলবার) কোভিড টেস্ট করিয়ে নেব।’’
পুলিশ সূত্রে খবর, অনুব্রতের যে মেডিক্যাল রিপোর্ট তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, সেটি শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজের। ওই মেডিক্যাল রিপোর্টে সই রয়েছে হিটলার চৌধুরী নামে এক চিকিৎসকের। ঘটনাচক্রে, রামপুরহাট ১-এর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের (বিএমওএইচ) নামও হিটলার চৌধুরী। বিতর্ক তা নিয়েই। প্রশ্ন উঠেছে, বিএমওএইচ পদে থাকা সত্ত্বেও তিনি কী ভাবে একটি বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখছেন এবং মেডিক্যাল রিপোর্টও তৈরি করে দিচ্ছেন? তা হলে অনুব্রতের মেডিক্যাল রিপোর্ট কি ‘অবৈধ’?
বীরভূমের মুখ্য জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক (সিএমওএইচ) শোভন দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘‘কে কোথায় সই করেছে, আমি জানি না। আমার কাছে রিপোর্টও নেই। তবে সরকারি পদে থাকা কোনও ডাক্তারই এ ভাবে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখতে পারেন না। ভবিষ্যতে যদি আমার কাছে রিপোর্ট জমা পড়ে, আমি বিষয়টি দেখব।’’




