খবর লাইভ : উত্তরাখণ্ডের জোশীমঠ বিপর্যয়ের রেশ এখনও কাটেনি। এর মধ্যে ফের আতঙ্ক বাড়িয়ে ঋষিগঙ্গা নদীর জল বাড়তে শুরু করল। যার জেরে বৃহস্পতিবার সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল উদ্ধারকাজ। ঝুঁকি এড়াতে আশপাশের এলাকা খালি করে দেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন সকাল থেকে হঠাৎ করে ঋষিগঙ্গা নদীর জল বাড়তে শুরু করে। সুড়ঙ্গের ভিতর উদ্ধারকাজে নিযুক্ত দলের সদস্যরাই প্রথমে বিষয়টি টের পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা উদ্ধারকাজ বন্ধ করে বেরিয়ে আসেন। এটিপিসি-র এক আধিকারিক জানান, ‘ড্রিলিং করতে করতে আমরা ৬ মিটার গভীরে পৌঁছনোর পরে বুঝতে পারি জল বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে আর এগোনো আমাদের পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যেত। কেননা পাথর খুব নড়বড়ে হয়ে রয়েছে। তাই পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে আমরা সাময়িকভাবে ড্রিলিংয়ের কাজ বন্ধ করে দিয়েছি।’ পাশাপাশি প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হয়েছে। যদিও হঠাৎ করে আবার কেন নদীর জল বাড়তে শুরু করল তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার আচমকা তুষারধসের ফলে বিপর্যয় নেমে আসে জোশীমঠ-তপোবন সংলগ্ন এলাকায়। এই বিপর্যয়ে ইতিমধ্যে প্রায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ প্রায় ২০০ জন। তপোবন টানেলে এখনও বহু মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে, কার্যত সাফ হয়ে গিয়েছে তপোবন। সংলগ্ন জলবিদ্যুত্ প্রকল্পেরও যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। যদিও এই দুর্ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। হিমবাহে ফাটলের ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে দাবি করা হলেও ইসরোর পাঠানো ছবিতে তা ধরা পড়েনি বলে জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। বিজ্ঞানীদের মতে, কয়েক লক্ষ টন বরফ এক পাহাড়ের চূড়া থেকে হঠাত্ই নেমে এসে গোটা এলাকা ভাসিয়ে নিয়ে যায়।




