খবর লাইভ : রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে বিজেপির রথযাত্রা কর্মসূচি। তাই নবদ্বীপ থেকে ওই রথযাত্রার সূচনা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তাই আজ, শুক্রবার রাতেই কলকাতা আসছেন তিনি। রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা অঘোষিত বিজেপির সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অমিত শাহও। তিনি কোচবিহার থেকে রথযাত্রা শুরু করবেন। গেরুয়া শিবির থেকে ইতিমধ্যেই রথযাত্রার ওপর হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রথযাত্রা আটকানোর কোনও ইচ্ছে তাদের নেই। রাজ্য প্রশাসনও বিজেপির রথ কোন পথে যাবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিয়েছেন। অন্যদিকে, রথযাত্রা সূচনার প্রাক্কালে কৃষকদের পাশে নিয়ে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি মধ্যাহ্নভোজনের বিশেষ বন্দোবস্ত করেছে রাজ্য বিজেপি। মালদহের ২৫০০ চাষির সঙ্গে বসে খিচুড়ি খাবেন নাড্ডা।
জানা গিয়েছে, শনিবার নবদ্বীপ থেকে রথযাত্রা শুরু করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আবার কোচবিহার থেকে রথযাত্রা শুরু করবেন অমিত শাহ। সারা রাজ্যে মোট ৫টি সুসজ্জিত রথ ২৯৪টি বিধানসভা ঘুরে যাত্রা শেষ করবে মার্চ মাসে। তারপরেই রাজ্য বিজেপির তরফে ব্রিগেড সমাবেশের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী ৭ তারিখ হলদিয়ার কর্মসূচির পর ‘পরিবর্তন যাত্রার’ সমাপ্তি উপলক্ষে আবারও রাজ্যে আসবেন নরেন্দ্র মোদি।
অন্যদিকে, আগামিকাল ওল্ড মালদহ ব্লকের সাহাপুর গ্রামের আমবাগানের পাশের মাঠে নাড্ডার জন্য মধ্যাহ্নভোজনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। ২৫০০ চাষির সঙ্গে বসে খিচুড়ি খাবেন তিনি। তার জন্য কাপড় এবং ত্রিপল দিয়ে ঘেরা হয়েছে ২৫০ ফুট বাই ২৫০ ফুট জায়গা। খিচুড়ি ছাড়াও নাড্ডাদের মেনুতে থাকছে পাঁচমেশালি তরকারি এবং চাটনি। বিজেপির জেলা সভাপতি গোবিন্দচন্দ্র মণ্ডল জানান, খিচুড়ির জন্য চাল, ডাল বাড়ি বাড়ি থেকে ভিক্ষা করে জোগাড় করা হচ্ছে। নাড্ডার মধ্যাহ্নভোজনের মূল মঞ্চের পাশে সাজানো ২০টি স্টলে প্রদর্শনীর জন্য রাখা হবে কৃষিকাজের সরঞ্জাম এবং উৎপাদিত ফসল।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি কৃষক আন্দোলন নিয়ে ঘুম ছুটেছে মোদি সরকারের। এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের সঙ্গে বসে বিজেপি সভাপতির মধ্যাহ্নভোজন এবং কৃষিকাজের সরঞ্জাম, উৎপাদিত ফসলের প্রদর্শনী বিজেপির কৃষকদের মন জয়ের চেষ্টা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।




