খবর লাইভ : ইডি যে নথি আদালতে পেশ করেছে, তাতে ১২ মার্চ এক ব্যক্তির থেকে নেওয়া বয়ানে বলা হয়েছে, জমি হাতানোয় শাহজাহানের সঙ্গী ছিলেন আলমগীর। ওর নামে ভয় দেখাতেন তিনি। খুন, টাকা ছিনতাইও করেছেন। ২ এপ্রিল বয়ান দিয়ে এক জন দাবি করেছেন, শিবুর যে গুন্ডাবাহিনী ছিল, তাঁরা ভয় দেখাতেন। শাহজাহানের ইটভাঁটা থেকে ইট নিতে হবে বলে জোর করতেন। অন্য এক জন দাবি করেছেন, নিরীহ মানুষের থেকে জমি ছিনিয়ে নিয়ে পোলট্রি খামার চালাতেন আলমগীর এবং শিবু। মেয়েদের অপহরণ, ভুয়ো বিল দাখিলের অভিযোগও এনেছেন তিনি।
ইডি আদালতে দাবি করেছে, শাহজাহানের নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা এস কে সাবিনা, সাবিনা ফিশারিজ থেকে দু’কোটি এক লক্ষ টাকা পেয়েছেন আলমগীর। টাকা পেয়েছেন দিদার এবং শিবুও। মাছ সরবরাহের নামে এই টাকা দেওয়া হলেও বাস্তবে একটা মাছও সরবরাহ করা হয়নি বলে আদালতে দাবি করেছে ইডি। তাদের দাবি, জমি দখলের টাকা পাচার করতে আলমগিরের অ্যাকাউন্ডে টাকা রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ রাস্তার ডিভাইডার টপকে মিষ্টির দোকানে রাহুল গান্ধী! তারপর যা করলেন…
সন্দেশখালির এক বাসিন্দা ইডিকে দেওয়া বয়ানে দাবি করেছেন, আলমগীর এবং শিবু সরকারি টাকা নয়ছয় করেছেন। মহিলাদের অপহরণ করেছেন। মহিলা কর্মীদের যৌন হেনস্থা করতেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, আলমগীর সব সময় বন্দুক নিয়ে ঘুরতেন। লোকজনকে হুমকি দিতেন। ২ এপ্রিল এক ব্যক্তি সাক্ষী দিয়ে ওই একই দাবি করেছেন।
১ এপ্রিল এক ব্যক্তি ইডির আধিকারিকদের কাছে শাহজাহানের ভাই আলমগীরের বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগও তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতেই তোলা আদায়, হুমকি, ডাকাতি করতেন।




