খবর লাইভ : গাজিপুরে কৃষকদের ধরনা মঞ্চে তৃণমূল সহ বিরোধীদের যেতে বাধা দিল পুলিশ। মূল ধরনা মঞ্চ থেকে দেড় কিলোমিটার আগেই আটকে দেওয়া হয় তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সহ বিরোধী নেতৃত্বকে। এমনকি আটকে দেওয়া হয় সংবাদমাধ্যমকেও।
জানা গিয়েছে, এদিন সমস্ত বিরোধী দলগুলি গাজিপুরে কৃষকদের ধরনা মঞ্চে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু গাজিপুরে প্রবেশের প্রথম থেকেই বিরোধীদের বাধা দেয় পুলিশ। প্রথম ব্যারিকেড জোর করে পেরোলেও দ্বিতীয় ব্যারিকেড আর পেরোতে পারেননি বিরোধীরা। মাঝপথেই তাঁদের আটকে দিয়ে জোর করে বাসে তুলে ফেরত পাঠিয়ে দেয় দিল্লি পুলিশ ও আধাসেনা।
এই ঘটনায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘সংসদের অভ্যন্তরে কৃষকদের দুরবস্থা নিয়ে আলোচনা করতে দিচ্ছে না। আজ আমাদের দেখাও করতে দিল না। আমরা স্পিকারকে জানাব এখানে কী ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি চলছে। সরকার অসভ্য আচরণ করছে। এখানে ব্যারিকেড দিয়ে, কাঁটাতার দিয়ে, পেরেক পুঁতে আটকানো হচ্ছে। কোনও সভ্য দেশে এসব হয় না।’ যদিও পুলিশের দাবি, ধরনা মঞ্চে যাওয়ার জন্য কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি। এপ্রসঙ্গে বিরোধীদের পাল্টা অভিযোগ, সেখানে যে কোনও রাজনৈতিক দলের নেতারা যেতে পারবেন না, এমন কোনও নির্দেশিকা প্রশাসনের তরফে ইস্যু করা হয়নি। তাই তাঁরা কোনও আগাম অনুমতির আবেদন জানাননি। এদিন প্রতিনিধি দলে ছিলেন তৃণমূলের সৌগত রায়, এনসিপির সুপ্রিয়া সুলে, ডিএমকে-র কানিমোজি, আরএসপির এন কে প্রেমচন্দন সহ অন্যান্য নেতারা। দলে ছিলেন এনডিএ সরকারের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিরোমণি আকালি দলের হরসিমরত কউরও।
প্রসঙ্গত, বুধবার শিবসেনার সঞ্জয় রাউত ধরনা মঞ্চে গিয়ে গিয়ে কৃষকদের সমর্থন জানান। তার আগে ২৮ জানুয়ারি দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াও যান ধরনা মঞ্চে। তাহলে আজ কেন বিরোধী নেতৃত্বের প্রতিনিধি দলকে যেতে বাধা দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।




