District

মাটির গাড়ি দিয়ে চাষীদের পিষে মারার হুমকি মাফিয়া কুতুবউদ্দিনের

0
(0)

খবর লাইভ : বাজারের পাশে বেআইনিভাবে মাটি কাটার প্রতিবাদ করায় এবার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজনকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল কাজী কুতুবউদ্দিনের বিরুদ্ধে। হুগলির জাঙ্গিপাড়ার আঁইয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত আঁইয়া বাজারের পাশে বেআইনিভাবে মাটি কাটছে বাঁধপুর এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী মাটি মাফিয়া কুতুবউদ্দিন। যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন এলাকাবাসীরা। এলাকাবাসীদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি ওই মাটি মাফিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়ে নবান্নে চিঠি লিখেছিলেন। কিন্তু তারপরেও এখনও রমরমিয়ে চলছে মাটি কাটা। গত রবিবার মশাট এলাকায় এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছিল গাড়ির ধাক্কায়। এলাকার একাংশের অভিযোগ, ওই গাড়িটি মাটির গাড়ি ছিল। কুতুবউদ্দিনেরই মাটি নিয়ে যাচ্ছিল। সকলেই কুতুবউদ্দিনের বেআইনি কাজের পিছনে তৃণমূল পরিচালিত আঁইয়া গ্রাম পঞ্চায়েত ও ফুরফুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ী করেছেন। কিভাবে একজন দুষ্কৃতীর বেআইনি কাজ বরদাস্ত করছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এদিকে নবান্নে চিঠি পাঠানোর কারণে বেশ কয়েকজন কৃষককে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কুতুবউদ্দিন ও তার দলবলের বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, রবিবার রাতে জনা ১০-১২ লোককে নিয়ে এসে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে কুতুবউদ্দিন প্রাণে মেরে দেওয়ার হুমকি দেয় এলাকাবাসীদের। ওর বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নিক আমরা সেটা চাই। ‘খবর লাইভ’ -এর পক্ষ থেকে কুতুবউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে ‘খবর লাইভ’ -এর সাংবাদিককে জানায়, পুলিশ ও প্রশাসনের লোকজনকে টাকা দিয়ে সে এই কাজ করছে। আমার কেউ কিছু করতে পারবে না। আমার বিরুদ্ধে কেউ ব্যবস্থা নিতে পারবে না।
দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় লোকালয়ে কুতুবউদ্দিন বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে সে বহুবার জেলও খেটেছে। কিন্তু জাঙ্গিপাড়া বা চণ্ডীতলার পুলিশ বা প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এবিষয়ে জাঙ্গিপাড়ার ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক সুব্রত সরকারের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *