খবর লাইভ : শহিদ দিবস উপলক্ষে ধর্মতলায় আয়োজিত তৃণমূল কংগ্রেসের সভাস্থলে পৌঁছেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হতে পারলেন না দলের প্রাক্তন বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। রবিবার বিকেলে সভাস্থলের মূল মঞ্চের কাছাকাছি পৌঁছলেও, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে সেখানে যেতে বাধা দেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর স্থান ত্যাগ করেন তিনি। বলা যেতে পারে পাত্তাই পেলেন না বীরভূমের কেষ্ট। এমন ভাবে বাধা পাবেন কস্মিনকালেও ভাবেননি তিনি। তাই লজ্জা ঢাকতে তড়িঘড়ি গা ঢাকা দিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৫টা নাগাদ নীল পাঞ্জাবি পরে সভাস্থলে পৌঁছান অনুব্রত। গার্ডরেলে ঘেরা মূল মঞ্চের পাশে তাকে আটকে দেওয়া হয়। ওই সময় বজবজের তৃণমূল বিধায়ক অশোক দেবের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কিছুক্ষণ পাশে দাঁড়ান অনুব্রত। উপস্থিত কর্মী-সমর্থকরা তাকে দেখে হাত নাড়েন, তিনি পাল্টা সাড়া দেন।
তবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হওয়ার আগেই সভাস্থল ত্যাগ করেন অনুব্রত। এই পরিস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের আগস্টে গরু পাচার মামলায় গ্রেফতারের পর অনুব্রতের পাশে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলা সভাপতির পদ থেকে তাকে সরানো না হলেও, বর্তমানে তিনি শুধুই দলের কোর কমিটির সদস্য। কিছুদিন আগে একটি ফোনালাপ ঘিরে বিতর্কে জড়ান তিনি, পরে দলীয়ভাবে ক্ষমা চান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এদিন অনুব্রতের মূল মঞ্চে ঢুকতে না পারা এবং মমতার সঙ্গে দেখা না হওয়া, এই দুই ঘটনাই ইঙ্গিতবাহী। অনেকে বলছেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তার প্রতি দূরত্ব তৈরি করছেন। আগামী দিনে তৃণমূলের আভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অনুব্রতের অবস্থান কী হবে, তা নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে।




