খবর লাইভ : ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেসেশকিয়ান, সংসদ সভাপতি এবং বিচার বিভাগের প্রধানকে তেহরানে একসঙ্গে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল ইজরায়েল। এই হামলায় ইরানের রাষ্ট্রপতির পায়ে সামান্য আঘাত লেগেছে, যদিও অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানরা পালিয়ে গিয়েছিলেন।
জানা গিয়েছে, ইজরায়েলি মিসাইলগুলি মিটিং হলের সমস্ত প্রবেশ পথ এবং বেরোনোর পথ ব্লক করার চেষ্টা করেছিল। হামলায় ছয়টি মিসাইল বা বোমা ব্যবহার করা হয়েছিল। বিল্ডিংয়ের চারপাশে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু কর্মকর্তারা জরুরি সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে যেতে সফল হয়েছেন।
প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী ইজরায়েলি অপারেশনের সময় ইজরায়েলের একটি এফ-১৫ ফাইটার জেট ইরানি সীমান্তে পৌঁছানোর সাথে সাথে প্রযুক্তিগত ব্যর্থতার শিকার হয়েছিল। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এটি বিপদে পড়ে। এফ-১৫ যুদ্ধবিমানটি তখন ইরানের সীমান্তের অনেকটা ভিতরে ঢুকে পড়েছিল, তখন ফুয়েল ট্যাঙ্কে ত্রুটি দেখা দেয়।
ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, পাইলট তৎক্ষণাৎ বিপদের তথ্য দিয়েছিলেন এবং মিশন কন্ট্রোলকে সতর্ক করেছিলেন। তখন জ্বালানি ভরার কোনও রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফ্টও ছিল না, এমন পরিস্থিতিতে তাড়াতাড়ি একটি বিকল্প বিমান পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
পরিস্থিতি এমন হয়ে গিয়েছিল যে একটি ব্যাকআপ প্ল্যান পর্যন্ত প্রস্তুত করা হয়েছিল। যদি ফুয়েলিং বিমান সময়মতো না পৌঁছত, তাহলে এফ-১৫ কে কোনও দেশে জরুরি অবতরণ করতে হত। তবে, রিপোর্টে সেই দেশের নাম প্রকাশ করা হয়নি। সৌভাগ্যক্রমে রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফ্ট সময়মতো পৌঁছেছিল এবং পাইলটকে জ্বালানি ভরিয়ে মিশন সম্পূর্ণ করতে দেওয়া হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, গত বছরই আমেরিকার সঙ্গে ২৫টি এফ১৫ ফাইটার জেট কেনার চুক্তি করেছিল ইঝরায়েল। প্রতিটির দাম ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৭৮৫ কোটি টাকা।




