International Special News Special Reports

সামরিক হস্তক্ষেপ,আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

0
(0)

খবর লাইভ:আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি করল রাশিয়া। বৃহস্পতিবার রাশিয়া- ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে ‘সামরিক হস্তক্ষেপ’ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা বিশেষভাবে ওয়াশিংটনকে এই পরিস্থিতিতে সামরিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক করতে চাই, যা সত্যিই অপ্রত্যাশিত নেতিবাচক পরিণতি-সহ একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পদক্ষেপ হবে।”

রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশনের প্রধান বৃহস্পতিবার সতর্ক করে বলেছেন যে, ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইজরায়েলি আক্রমণ “চেরনোবিল-ধাঁচের বিপর্যয়” ডেকে আনতে পারে। পরে একজন ইজরায়েলি সামরিক কর্তা এক বিবৃতিতে ওই আক্রমণের বিষয়টিকে “ভুল” বলে জানিয়েছেন। 

বুশেহর ইরানের একমাত্র কার্যকর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং এটি রাশিয়া তৈরি করেছিল।
একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ইজরায়েলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন। তবে তিনি বলেছিলেন যে, “আমি এটা করতে পারি, আমি নাও করতে পারি।”  

এর আগে বুধবার, রাশিয়ার উপ-বিদেশমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ ইজরায়েলকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। রিয়াবকভ বলেন, “আমরা ওয়াশিংটনকে এই ধরণের অনুমানমূলক, কাল্পনিক বিকল্পের বিরুদ্ধেও সতর্ক করছি। এটি এমন একটি পদক্ষেপ হবে যা পুরো পরিস্থিতিকে আমূল অস্থিতিশীল করে তুলবে।”

এদিকে, জাখারোভা দাবি করেছিলেন যে ইরানের পারমাণবিক পরিকাঠামোতে ইজরায়েলি হামলার অর্থ হল- বিশ্ব বিপর্যয় থেকে “মিলিমিটার” দূরে। তাঁর কথায়, “পারমাণবিক কেন্দ্রগুলিতে আঘাত করা হচ্ছে।” তিনি রয়টার্সকে বলেন, রাষ্ট্রসংঘের পারমাণবিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইতিমধ্যেই নির্দিষ্ট ক্ষতির কথা উল্লেখ করেছে।

বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে রাশিয়া- ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাতের তাৎক্ষণিক অবসানের আহ্বান জানিয়েছিল এবং তেহরানের পারমাণবিক সমস্যার জন্য একটি কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমাধানের পরামর্শ দিয়েছিল।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তাঁর সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এরপর ক্রেমলিন এক বিবৃতিতে বলেছে, “ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সম্পর্কিত বিতর্কিত সমস্যা সমাধানের স্বার্থে দ্রুত শত্রুতা বন্ধ এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা তীব্র করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছিল।”

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *