International Special News Special Reports

লেবাননে হিজবুল্লার রকেট লঞ্চার ও একটি কমান্ড সেন্টারে হামলা ইজরায়েলি সেনাবাহিনীর

0
(0)

খবর লাইভ : ইজরায়েলি সেনাবাহিনী সম্প্রতি দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলা চালিয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লার রকেট লঞ্চার ও একটি কমান্ড সেন্টার। সেনাবাহিনী উল্লেখ করেছে, হামলার আগে লেবানন থেকে ইজরায়েলের দিকে তিনটি রকেট ছোড়া হয়েছিল, যা মেতুলা শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় প্রতিহত করা হয়; এতে কেউ হতাহত হননি।

ইরান এবং ইজরায়েলের সংঘাতের কারণে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। গত শুক্রবার ইরানে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল, যেখান থেকে সংঘাতের সূত্রপাত। শনিবার সংঘাতের নবম দিন।

আইডিএফের দাবি, হিজবুল্লা সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল হুসেইনির। ইজরায়েলের নাহারিয়া, হাইফার মতো শহরে একাধিক হামলার নেপথ্যে তাঁর হাত ছিল। দীর্ঘ দিন ধরে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে তিনি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সম্প্রতি হিজবুল্লাদের পুরনো অস্ত্রভান্ডার নতুন করে তৈরি করার দায়িত্বও পেয়েছিলেন তিনি, জানিয়েছে আইডিএফ। তাদের বিবৃতিতে হুসেইনি সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘‘ওঁর কার্যকলাপের কারণে লেবানন এবং ইজরায়েলের বোঝাপড়া বার বার ব্যাহত হয়েছে। ইজরায়েলের প্রতি যে কোনও হুমকি নির্মূল করার জন্য কাজ চালিয়ে যাবে আইডিএফ।’’

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় কোমায় থাকা এক শিশুসহ সাতজন নিহত এবং প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন । ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে যে, তারা শুধু প্রতিরক্ষা ও হুমকি সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলি ধ্বংস করেছে, আক্রমণ ছিল ‘সুনির্দিষ্ট ও প্রয়োজনীয়’।

হিজবুল্লা হামলার জন্য দায় স্বীকার করেনি এবং দাবি করেছে তারা যুদ্ধবিরতি মেনে চলছে । তবে লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা দক্ষিণাঞ্চলের তিনটি অস্থায়ী রকেট লঞ্চার ধ্বংস করেছে এবং হামলার তদন্ত চলছে ।

এই হামলাটি গত নভেম্বরে সংঘবদ্ধ যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনা, যা আমেরিকা ও ফ্রান্সের মধ্যস্ততায় প্রতিষ্ঠিত ক্ষণস্থায়ী যুদ্ধবিরতির ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে । চুক্তিটির অধীনে বলা হয়েছিল, লেবাননের সেনাবাহিনী দক্ষিণাঞ্চলে মোতায়েন করবে এবং হিজবুল্লাহ অবশ্যই তাদের অস্ত্র সরিয়ে নেবে; বিনিময়ে ইসরায়েলি বাহিনী নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অবস্থান থেকে সরে যাবে ।

আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) যুক্তি দিয়েছে যে, লেবাননের সেনাবাহিনী চুক্তির শর্ত অনুযায়ী যথেষ্টভাবে মোতায়েন হয়নি, তাই “আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে” তাদের উপস্থিতি প্রয়োজন । অপরদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় বাহিনীর অস্ত্র থাকা উচিত, যা স্পষ্ট বার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে, বিশেষ করে হিজবুল্লাহর অস্ত্রাগারের বিরুদ্ধে ।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *