খবর লাইভ : আন্তর্জাতিক উত্তেজনায় ফের উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য। ইজরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডেওন সার বলেন, আমেরিকার সহযোগিতায় তাদের সাম্প্রতিক বিমান হামলা প্রক্রিয়ায় অন্তত দুই থেকে তিন বছরের জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচোকে বিলম্বিত করা সম্ভব হয়েছে ।
সার বলেছেন, “আমরা যে প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়েছি, তার ফলশ্রুতিতে ইরান এখন অস্ত্রগড়ার পথে যাবে না এমন ধারণা থেকে দূরে সরানো সম্ভব হয়েছে।” তিনি জার্মান সংবাদমাধ্যম ‘বিল্ড’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন।
অনেকেই মনে করছেন সারের এই মন্তব্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিশনকে সহায়তা করছে, যিনি আগে ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের ওপর জোর দিয়েছিলেন ।
ইজরায়েলের বিমান হামলা শুরু হয়েছে ১৩ জুন থেকে। শুরু হওয়া ‘Operation Rising Lion’ নামে অভিযানের অংশ হিসেবে ইজরায়েলছর স্যাটেলাইট ও পারমাণবিক সংস্কার স্থাপনায় হামলা পরিচালিত করেছে । ইরান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যা তেল আভিভ ও গোলান উচ্চভূমিতে বিধ্বংসী প্রভাব ফেলছে ।
ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে চলা সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আর্গাচ্চি একটি ‘পরমাণু ভবিষ্যৎ’ আলোচনার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। তবে যুদ্ধবিরতি বা সূক্ষ্ম শক্তি ভারসাম্য নিয়ে দ্বিমত থেকে যায় ।
আন্তর্জাতিক উদাসীনতা এবং আঞ্চলিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে, ইজরায়েল–ইরান উত্তেজনা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যেকার প্রতিযোগিতামূলক যুদ্ধকালীন প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক সুরক্ষা নিয়েও বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বিরাজ করছে।
শীঘ্রই ইরান পরমাণু বোমা তৈরি করে ফেলতে পারে বলে সন্দেহ করছে নেতানিয়াহুর সরকার। সেই আশঙ্কা থেকেই ইরানের পরমাণুকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইজরায়েলি বাহিনী।




