International Special News Special Reports

ইরান–ইজরায়েল সংঘাত বাড়ছে, তেহরান ও তেল আভিভে পাল্টা হামলায় বিশ্ব জুড়ে সতর্কতা 

0
(0)

খবর লাইভ: দিন দশেক ধরে উত্তপ্ত ইরান–ইজরায়েল সংঘাত সোমবার নবম দিন পেরিয়ে চলেছে। দুই দেশের পক্ষ থেকে একের পর এক হামলার পাল্টা হামলা চালানো হচ্ছে, যা একদিকে বিশ্ব দরবারে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, অন্যদিকে ইউরোপীয় দেশগুলো দাবি করেছে, এই উত্তেজনা সীমান্ত ছাড়িয়ে সম্ভাব্য আঞ্চলিক সংকটের রূপ নিতে পারে ।

ইরান সপ্তাহখানেক আগে তেল আভিভ সহ বিভিন্ন ইহুদি শহরে দীর্ঘ রেঞ্জের মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বেসামরিক ভবনে ব্যাপক ক্ষতি হয়। অন্তত ৫ জন নিহত, বাড়ি, স্কুল ও হাসপাতালও বাদ যায়নি । উত্তরসূরি হিসেবে ইজরায়েল বিমান হামলা চালায় ইরানের ইসফাহান নিউক্লিয়ার কেন্দ্র ও অন্যান্য কৌশলগত লক্ষ্য বস্তুতে।

তেহরানের “আল ইসফাহান” কেন্দ্র ও মিসাইল ঘাঁটি সম্পূর্ণ ভাবে নিশানায় রয়েছে। সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী “ইনশোআল্লাহ দুই থেকে তিন বছর ব্যাহত” থাকার সম্ভাবনা রয়েছে । আমেরিকা ইরানকে দুই সপ্তাহের সময় দিয়েছ। নেগোসিয়েশন না করলে “সম্ভাব্য বিমান হামলা” হবে। জেনেভায় ইউরোপীয় বৈঠকে ইরান আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে।যদিও তারা দাবি করছে, ইজরায়েল আগ্রাসন বন্ধ না করলে কূটনৈতিক পথ বন্ধ থাকবে ।

ত্রাণ ও শরণার্থী সংস্থা (UNHCR) আগেই জানিয়েছে, তীব্র হিংসার ভয়াবহতা “জেনারেশনজুড়ে প্রভাব ফেলতে পারে”। সুতরাং দ্রুত উদ্যমে ডিএ-এস্ক্যালেশন জরুরি।

তেহরানের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইজরায়েলের হামলায়  চার আইআরজিসি সদস্য নিহত, তিনজন আহত ।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আশঙ্কার মেঘ জমেছে । ইতালির অস্থায়ী জরুরি প্রত্যাহার, তুরস্কের নেতৃত্বে আঞ্চলিক অবস্থান, রাশিয়ার কূটনৈতিক ভূমিকা উদ্বেগ জাগাচ্ছে।

ইরানে মাটির গভীরে থাকা পরমাণুকেন্দ্রে হামলা চালাতে পারবে না ইজরায়েল! তাদের সেই ক্ষমতাই নেই বলে দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ওদের (ইজরায়েল) ক্ষমতা খুবই সীমিত। ওরা (পরমাণু কেন্দ্রের) ছোট একটা অংশকে ভাঙতে পারে মাত্র। কিন্তু গভীরে যেতে পারবে না। সে ক্ষমতা ওদের নেই।”

প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে, ইরানে মোট তিনটি পরমাণুকেন্দ্র রয়েছে, যেগুলিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এগুলির মধ্যে ফোরদো পরমাণুকেন্দ্রটি তৈরি করা হয়েছে পাহাড় কেটে। ওই কেন্দ্রের যাবতীয় কাজ নাকি হয় মাটির গভীর। সম্ভাব্য হামলা থেকে পরমাণুকেন্দ্রটিকে রক্ষা করতেই তেহরানের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হয়ে থাকে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *