Special News Special Reports State

ওবিসি মামলায় ধাক্কা রাজ্যের, নতুন বিজ্ঞপ্তির উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

0
(0)

খবর লাইভ : ওবিসি মামলায় ধাক্কা রাজ্যের। রাজ্যের জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তির উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। ১৪০টি জনজাতিকে নিয়ে গঠিত নতুন বিজ্ঞপ্তির উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল আদালত। তবে যাঁরা ১৯৯৩ সালের আইন অনুযায়ী ২০১০ সালের আগে ওবিসি সার্টিফিকেট পেয়েছেন তাঁদের চাকরির নিয়োগে বাধা থাকছে না। সোমবার রাজ্য পোর্টাল চালু করে সমস্ত দফতরে কাস্ট সার্টিফিকেট জমার যে আবেদন করতে বলেছিল, তাতেও স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

<span;><span;>বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা: এখনো পর্যন্ত রাজ্যের তরফে বিভিন্ন বিষয়ে যে চার থেকে পাঁচটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। তার মাধ্যমে সরাসরি আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে।

বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী বলেন, আমরা আগেও বলেছি ওবিসি শ্রেণীভুক্ত ৬৬ টি সম্প্রদায়কে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করুন। আপনারাও বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপেক্ষা করছেন। আমরাও বলেছি যে ঠিক আছে তাহলে সেই অবধি কোনও পদক্ষেপ করবেন না।

বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা বলেন, আপনারা ২০১২ সালের ওবিসি আইন অনুযায়ী অর্ধেক কাজ করেছেন। তারপর আবার ১৯৯৩ সালের আইনে ফেরত গিয়েছেন। এটা কেন ? আপনারা কেন ২০১২ সালের আইনে সংশোধনী আনলেন না?

তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “এখন কী হবে হাইকোর্টকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আদালতের হস্তক্ষেপের দুটো প্রধান কারণ হতে পারে। প্রথম হল, এই তালিকা নিয়ে প্রতিবাদ আছে। দ্বিতীয় হল, কোর্ট বলছে, যে ভাবে কাজ হয়েছে তা সঠিক হয়নি। তার মানে তালিকা ঠিক আছে, কিন্তু কাজের পদ্ধতি ঠিক নেই। তাহলে কোর্ট যে ভাবে বলবে সরকারও সেইভাবে কাজ করবে।”

উল্লেখ্য, গত বছরের মে মাসে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ ২০১০ সাল থেকে ৬৬টি সম্প্রদায়কে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেয়। প্রায় ১২ লক্ষ শংসাপত্র বাতিল করা হয়। হাইকোর্টের রায় ছিল ২০১০ সালের আগে ৬৬টি সম্প্রদায়ের ওবিসি সার্টিফিকেট বৈধ। তারপর সব শংসাপত্র বাতিল করে আদালত। উচ্চ আদালতের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায়। শীর্ষ আদালত হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়নি। মামলা সেখানে চলছে।

এ দিকে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে তড়িঘড়ি নতুন ওবিসি তালিকা প্রকাশের অভিযোগ ওঠে রাজ্যের বিরুদ্ধে। নতুন তালিকার উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *