খবর লাইভ : সন্দেশখালির ঘটনায় এখনও অধরা শেখ শাহজাহান । এদিকে, পুলিশের বিরুদ্ধে ‘কমজোরি ধারা’ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে ইডি । অর্থাৎ, শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে যে ধারাগুলি দেওয়া হয়েছে, তাতে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করলেও, তাঁকে কতক্ষণ হেফাজতে রাখতে পারবে পুলিশ, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে । কারণ সবই সবগুলিই জামিনযোগ্য ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে ।
জানা গিয়েছে, শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে থানায় তিনটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে । সেসব অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূল নেতা বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে । ইডির অভিযোগের ভিত্তিতে, যে ধারাগুলি দেওয়া হয়েছে, সেগুলি হল, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯ (অবৈধ জমায়েত), ১৮৬ (আইন অমান্য করা), ৩২৩ (ধাক্কা, চড় মারা), ৪২৭ (ক্ষতি করা), ৫০৬ (খুনের হুমকি) । আর পুলিশও স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই মামলাগুলি রুজু করেছে । সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রায় সব ধারাই জামিনযোগ্য ।সন্দেশখালির ঘটনায় প্রথম থেকেই কাঠগড়ায় পুলিশ প্রশাসন । সম্প্রতি, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার দ্রুত দোষীদের কড়া শাস্তির আশ্বাস দেন । কিন্তু, তারপরেও শেখ শাহাজাহান অধরা । এদিকে, বিজেপি বলছে, এলাকাতেই রয়েছেন শাহজাহান, স্বচ্ছন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছেন । আর সেখানেই প্রশ্ন উঠছে, কেন এখনও তাঁকে ধরতে পারছে না পুলিশ ? পুলিশ সূত্রে খবর, শাহজাহানকে ধরলে আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা হতে পারে । তাই ধাপে ধাপে এগোচ্ছেন তাঁরা ।
আরও পড়ুনঃ আজই শেষযাত্রা উস্তাদ রাশিদ খানের, রবীন্দ্রসদনে দেওয়া হবে গান স্যালুট
উল্লেখ্য়, সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারিকদের উপর হামলার ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ৫ জানুয়ারি উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশিতে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অভিযোগ, তল্লাশি চালানোর সময় গ্রামবাসীরা ঘিরে ধরেন আধিকারিকদের। এবং মারধর করা হয়। ঘটনায় দুই আধিকারিকের মাথা ফেটে যায় । সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
ED




