International Special News Special Reports

বিচারের নামে প্রহসন, চিন্ময়কে জেলে আটকে রাখতে এবার নতুন মামলা বাংলাদেশে

0
(0)

খবর লাইভ : আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) বহিষ্কৃত নেতা ও সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে কোতোয়ালি থানার বিস্ফোরক মামলায় ১ দিনের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ২২ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আদৌ কি কোনও দিন জেলমুক্তি হবে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর? যতদিন যাচ্ছে এই প্রশ্নই জোরালো হচ্ছে। তাঁকে জেলে আটকে রাখতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে মহম্মদ ইউনূসের সরকার। বিচারের নামে প্রহসন চলছে বাংলাদেশে। এবার ইসকনের এই সন্ন্য়াসীকে গরাদের পিছনে রাখতে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। দেশের প্রধান বন্দর নগর চট্টগ্রামে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় তাঁকে জেলে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার (১৬ জুন) সাড়ে ১১টার দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৬ষ্ঠ আদালত এই আদেশ দেন।

গত বছরের ২৬ নভেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার সময় হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করে। পরদিন কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া রাষ্ট্রদোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয় চিন্ময় কৃষ্ণকে। আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এটি নিয়ে বিক্ষোভ করেন ইসকন অনুসারীরা। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। ওইদিন দুপুরের পর বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে আদালত এলাকায় মসজিদ, দোকানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়।

এক পর্যায়ে ওইদিন বিকেলে আদালতের প্রধান ফটকের বিপরীতে রঙ্গম কনভেনশন হলের গলিতে একদল ইসকন অনুসারীর হাতে খুন হন অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম। এই ঘটনায় গত বছরের ২৯ নভেম্বর দিবাগত রাতে নগরের কোতোয়ালি থানায় ভুক্তভোগী আইনজীবী সাইফুলের বাবা জামাল উদ্দিনবাদীর হয়ে খুনের মামলা করেন। এতে এজাহারে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এটির পাশাপাশি একই ঘটনায় পুলিশসহ ভুক্তভোগীরা বাদী হয়ে আরও চারটি মামলা করে কোতোয়ালি থানায়।

এই পাঁচটি মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে চিন্ময় দাসের সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ। এরপর তদন্ত কর্মকর্তাদের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ওই মামলাগুলোতে গ্রেফতারের দেখানোর নির্দেশ দেন আদালত।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *