খবর লাইভ : আমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত ২৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাঁদের মধ্যে ২৩০ জন যাত্রী এবং ১২ জন বিমানকর্মী ছিলেন। বিমানটি ১২ জুন ২০২৫, দুপুর ১:৩৯ IST-এ আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের উদ্দেশে উড়েছিল। ওড়ার পর মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে বিমানটি মেঘানিনগর এলাকার বিজে মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনায় বিমানটির ২৪১ জন যাত্রী ও বিমানকর্মী এবং ২৮ জন স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, ৬০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকাজ শুরু হয়। বিজেপি নেতা ও গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণীও বিমানে ছিলেন এবং তিনি নিহত হয়েছেন। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানে ১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, ৭ জন পর্তুগিজ এবং ১ জন কানাডীয় নাগরিক ছিলেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ভারতীয় বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো (AAIB) তদন্ত শুরু করেছে। ব্রিটেনের এয়ার অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্রাঞ্চ (AAIB) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (NTSB)ও তদন্তে সহায়তা পাঠিয়েছে।
দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে চারটি তথ্য সামনে এসেছে:
1. ল্যান্ডিং গিয়ার বা ফ্ল্যাপের ত্রুটি: বিমানটির ল্যান্ডিং গিয়ার বা ফ্ল্যাপ সঠিকভাবে কাজ না করলে বিমানটি যথাযথভাবে উড্ডয়ন করতে পারে না।
2. পাইলটের ভুল: পাইলটের ভুল সিদ্ধান্ত বা ভুল পরিচালনা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
3. প্রাকৃতিক কারণ: আবহাওয়া বা অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণও দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
4. যান্ত্রিক ত্রুটি: বিমানটির যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
দুর্ঘটনার পর, টাটা গোষ্ঠী নিহতদের পরিবারের জন্য এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে। এছাড়া, আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।




