খবর লাইভ : হাওড়ার ডোমজুড়ে পর্নকাণ্ডে অভিযুক্ত শ্বেতা খানকে আদালতে হাজির করানো হয়েছে। বুধবার রাতে আলিপুরের ভবানী ভবনের কাছে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, শ্বেতা খান এবং তার পুত্র আরিয়ান খান সোদপুরের এক তরুণীকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে হাওড়ার বাঁকড়ার ফ্ল্যাটে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছেন। তরুণীকে পর্নোগ্রাফি ভিডিওতে অভিনয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। রাজি না হওয়ায় তাকে নির্যাতন করা হয়। গত শুক্রবার তরুণী কোনোভাবে পালিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।
শ্বেতা খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন। এই কারণে বাঁকড়া এলাকার তৃণমূল কর্মীরা তাকে চড়-থাপ্পড় মেরে আদালতে নিয়ে যান। তৃণমূল কর্মী শেখ আব্দুল সালাম বলেন, “ও (শ্বেতা) তৃণমূলের কেউ নয়। ওর ফাঁসি হওয়া উচিত।” শ্বেতা খান দাবি করেছেন, “আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। একটু যাচাই করে দেখা হোক ঘটনাটা।” তিনি আরও বলেন, “ওই মেয়েটির বিয়ে হয়েছে। সন্তানও আছে।”
হাওড়া আদালতে শ্বেতা খানকে হাজির করা হয়েছে এবং আপাতত তাকে লকআপে রাখা হয়েছে। পুলিশ তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করেছে। এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং শ্বেতা খানের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে।




