International Special News Special Reports

প্রয়োজনে মাস্ককে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে প্রস্তুত রাশিয়া, দাবি রুশ পার্লামেন্টের সদস্যের

0
(0)

খবর লাইভ : এক সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ধনকুবের ইলন মাস্কের মধ্যে দ্বন্দ্ব এখন চরমে। সম্পর্কের এই অবনতিতে রুশ আইন প্রণেতারা রীতিমতো রসিকতা শুরু করেছেন। তারা বলছেন, ‘মাস্ক, তুমি মন খারাপ করো না। আমেরিকায় কোনো সমস্যায় পড়লে রাশিয়ার দরজা তোমার জন্য সবসময় খোলা। এখানে এসে মনের মতো ব্যবসা করো। আমরা তোমায় রাজনৈতিক আশ্রয় দেব।’ট্রাম্পের সঙ্গে মাস্কের সংঘাতে আর কোনও রাখঢাক নেই।

ট্রাম্প প্রশাসন থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরেই প্রকাশ্যে তাঁর সমালোচনা শুরু করে দিয়েছেন এক্সের কর্ণধার। পাল্টা ট্রাম্পও তাঁকে হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে মাস্ককে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়’ দিতে রাশিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার আন্তর্জাতিক বিষয়ক স্টেট ডুমা কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান এবং কমিউনিস্ট পার্টির ডেপুটি দিমিত্রি নভিকভ। তবে মাস্কের জন্য তেমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না বলেই মনে করেন তিনি।
একসময় রাশিয়ার মহাকাশ অভিযান পরিচালনা করা ন্যাশনালিস্ট সিনেটর দিমিত্রি রোগোজিন মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে লেখেন, ‘মন খারাপ করো না মাস্ক। আমেরিকায় যদি কোনো সমস্যায় পড়বে বলে মনে হয়, আমাদের এখানে চলে এসো। এখানে তুমি দারুণ সব সহযোদ্ধাদের পাবে, পারবে নিজের মতো করে সৃষ্টিশীল প্রযুক্তিগত কাজ করতে।’

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ধনকুবের ইলন মাস্কের সংঘাতে আর কোনও রাখঢাক নেই। ট্রাম্প প্রশাসন থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরেই প্রকাশ্যে তাঁর সমালোচনা শুরু করে দিয়েছেন এক্সের কর্ণধার। পাল্টা ট্রাম্পও তাঁকে হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে মাস্ককে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়’ দিতে প্রস্তুত রাশিয়া। এমনটাই দাবি করলেন রাশিয়ার আন্তর্জাতিক বিষয়ক স্টেট ডুমা কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান এবং কমিউনিস্ট পার্টির ডেপুটি দিমিত্রি নভিকভ। তবে মাস্কের ক্ষেত্রে তেমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না বলেই মনে করেন তিনি। যদিও রুশ সরকারের তরফে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ক্রেমলিনের মুখপাত্র পেসকভ বলেন, ‘‘এটা আমেরিকার ঘরোয়া বিতর্ক। আমরা এতে নাক গলাতে চাই না। আশা করি, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বিষয়টিকে সামলে নেবেন।’’

ট্রাম্প-মাস্ক বিবাদের মধ্যে আমেরিকা থেকে কেউ কেউ দাবি করছেন, মাস্ককে তাড়িয়ে দেওয়া উচিত। ট্রাম্পের সঙ্গে প্রকাশ্য বিবাদের পর হোয়াইট হাউসের এক সাবেক কর্মকর্তা স্টিভ ব্যানন দাবি করেছেন, মাস্ককে অবিলম্বে আমেরিকা থেকে বহিষ্কার করা উচিত। আমেরিকার সরকারের উচিত মাস্কের সংস্থা স্পেসএক্স অধিগ্রহণ করে নেওয়া। ব্যানন বরাবরই মাস্কের সমালোচক। আমেরিকায় মাস্কের প্রবেশ ‘বেআইনি’ হতে পারে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

রাশিয়া সরকার মাস্ক-ট্রাম্প বিবাদ নিয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে না চাইলেও পুতিনের দেশের পার্লামেন্টের সদস্য তথা কমিউনিস্ট পার্টির ডেপুটি জানিয়ে দিলেন, প্রয়োজনে রাশিয়ায় আশ্রয় পাবেন মাস্ক।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *