International Special News Special Reports

সিঙ্গাপুরের সাংগ্রিলা বৈঠকে ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংঘাত নিয়ে বিবৃতি পাল্টা বিবৃতি

0
(0)

খবর লাইভ : সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত সাংগ্রিলা ডায়ালগে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’ ভারতের সহ্যসীমার লাল রেখা টেনে দিয়েছে, যা পাকিস্তানকে ভবিষ্যতে শিক্ষা দেবে। তিনি আরও বলেন, ‘দুই হাত জোড়া লাগলে তবেই তালি বাজে’—এটি পাকিস্তানকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানানোর উদ্দেশ্যে ছিল।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের সেনা প্রধান জেনারেল শাহিদ সমশাদ মির্জা কাশ্মীর ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বলেন, ‘সম্পূর্ণ সমাধান’ প্রয়োজন। তিনি সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হলে তাৎক্ষণিক সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।এই বৈঠকটি ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

ভারতে পর পর সন্ত্রাসবাদী হামলা এবং সীমান্ত সন্ত্রাসের উল্লেখ করে জেনারেল চৌহান বলেন, ‘‘গত দু’দশকের বেশি সময় ধরে সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে ‘ছায়াযুদ্ধ’ (প্রক্সি ওয়ার) চলছে। এর ভুক্তভোগী আমরা। এতে ভারতের বহু সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এ বার আমরা এটা বন্ধ করতে চাই।’’

পাকিস্তানের সেনাকর্তা আবার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় জোর দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, যে কোনও সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান প্রয়োজন। সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হলে তাৎক্ষণিক ভাবে কোনও বন্দোবস্ত করে তা ঠেকিয়ে রাখা যায় বা পিছিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু তা চূড়ান্ত সমাধান হতে পারে না। উদাহরণ হিসাবে কাশ্মীর সমস্যার কথা তুলে ধরে পাক কর্তা জেনারেল মির্জা দাবি করেন, এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না-হলে আগামী দিনে মধ্যস্থতার সময়ও আর পাওয়া যাবে না। তাঁর কথায়, ‘‘ভারতের চরমপন্থী রাজনীতিতে সঙ্কট সামাল দেওয়ার (ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট) কোনও ব্যবস্থা নেই। আগামী দিনে বিশ্বশক্তিগুলি সঙ্কটে হস্তক্ষেপ বা মধ্যস্থতার সময় না-ও পেতে পারে। তখন অনেক দেরি হয়ে যাবে। ক্ষয়ক্ষতি বা ধ্বংসলীলা তখন আর এড়ানো যাবে না।’’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *