খবর লাইভ : উত্তরাখণ্ডের জোশীমঠ বিপর্যয়ের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩২। এখনও নিখোঁজ ১৯৭ জন। সেনা, আইটিবিপি, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর প্রায় ৬০০ উদ্ধারকারী জোরকদমে উদ্ধারকাজ চালানোর চেষ্টা করছেন। তবে তপোবন বিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গের ভিতরে এখনও কেউ আটকে আছেন কিনা তা স্পষ্ট নয়। ফলে আতঙ্ক বাড়ছে। অন্যদিকে, এই বিপর্যয়ের কারণ খুঁজতে ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন বিজ্ঞানীদের দু’টি দল।
জানা গিয়েছে, জোশীমঠ বিপর্যয়ের ঘটনায় মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ৩২ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে ফের জোরকদমে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু তপোবন বিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গের মুখ কাদা, পাথরে আটকে থাকায় সেগুলো পরিষ্কার করে ভিতরের দিকে ঢুকতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে যে পরিমাণ কাদা এবং পাথর জমে গিয়েছে তা পরিষ্কার করতে গিয়ে উদ্ধারকাজের গতি মন্থর হয়ে যাচ্ছে। এর ওপর সুড়ঙ্গের মধ্যে ‘ইউ’-এর মত বাঁক থাকায় ভিতরে কেউ আটকে আছেন কিনা তা চিহ্নিত করতে বেগ পেতে হচ্ছে। তবে দ্রুত ভিতরে ঢোকার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে, এই বিপর্যয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া গ্রামগুলিতে খাবার, জল এবং ওষুধ পৌঁছে দেওয়া শুরু করেছে সেনা, আইটিবিপি-র জওয়ানরা। আবার কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবারই দেরাদুনের ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউট অব হিমালয়ান জিওলজি (ডব্লিউআইএইচজি) থেকে বিজ্ঞানীদের দু’টি দল চামোলিতে পৌঁছেছেন।




