খবর লাইভ : এলাহাবাদ হাইকোর্টের বর্তমান বিচারপতি যশবন্ত বর্মা সুপ্রিম কোর্টে হাউস‑ইন‑কমিটি তদন্তের প্রক্রিয়া নিয়ে ও সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্নার যুক্তি ভিত্তিক বদলি‑প্রক্রিয়া বাতিলের জন্য মামলা করেন। আজ সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে রায় ঘোষণার সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখে ।
কী ঘটেছিল?
১৪ মার্চ : বিচারপতি বর্মার সরকারি বাসভবনে আগুন লাগলে দখলে থাকা স্টোররুমে ৫০০ টাকার প্রচুর নোট পাওয়া যায় ।
২০–২১ মার্চ: সুপ্রিম কোর্ট কলেজিয়াম বর্মাকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে বদলি করে এবং পূর্ণ আদালতের সিদ্ধান্তে একটি তিন সদস্যের ইন‑হাউস কমিটি গঠন করা হয় তদন্তের জন্য ।
কমিটির ফলাফল
কমিটি বর্মা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে স্টোররুমে “গোপন বা সক্রিয় নিয়ন্ত্রণ” থাকার শক্তিশালী প্রমাণ পেয়েছে। এটি গুরুতর অপরাধ বলে বিবেচিত হয় এবং তাকে অপসারণের জন্য সুপারিশ করা হয়।
বর্মার প্রতিক্রিয়া
বর্মা তদন্তের পদ্ধতি ও সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দাবি করেন যে কমিটি পূর্ব নির্ধারিত ও বিচারের ন্যায়মতে নীতিবিরুদ্ধভাবে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি যুক্তি দেন, প্রশ্ন জাগছে কীভাবে, কত টাকা রাখা হয়েছিল, আগুনের কারণ কী, এবং টাকা কারা সরিয়েছে? এ সকল প্রশ্ন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি ।
সুপ্রিম কোর্টে শুনানি ও প্রশ্ন
শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি এ.জি. মাসিহের বেঞ্চ বলেন, বর্মার আচরণে প্রকাশ পেয়েছে তিনি অন্যায় করেছেন।দেশের প্রধান বিচারপতি যদি মনে করেন কোনও একজন বিচারপতি কোনও অসদাচরণ করেছেন, তবে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীকে তা জানাতে পারেন।
তিনি কেন তৎক্ষণাৎ কমিটিকে চ্যালেঞ্জ করেননি, আগে তদন্তে অংশ নিয়েছেন, এই দিক নিয়েও তীব্র প্রশ্ন তোলা হয়।
চলতি বছরে দোলের দিন দিল্লি হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি বর্মার বাসভবনের গুদামে আগুন লাগে। দমকলকর্মীরা আগুন নেভানোর সময় প্রথম নোটের কথা জানা যায়। দাবি করা হয়, সেখানে আধপোড়া নোটের বান্ডিল দেখা গিয়েছে। সেই থেকে বিতর্কের সূত্রপাত।
ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ
সুপ্রিম কোর্ট রায় ঘোষণা করে নি, শুনানি স্থগিত রেখেছে। পরবর্তী সিদ্ধান্তে পার্লামেন্টের অপসারণ নোটিশ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, কারণ ইতিমধ্যে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।




