খবর লাইভ : পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেছেন জগদীপ ধনকড়। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আনুষ্ঠানিক ভাবে মঙ্গলবার তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। ফলে বর্তমানে শূন্য উপরাষ্ট্রপতির পদ। ভারতীয় সংবিধানের ৬৮(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, পদত্যাগের ক্ষেত্রে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন কত দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে তার কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। তবে নিয়ম অনুসারে, ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব’ নির্বাচন পরিচালনা করা উচিত।
উপরাষ্ট্রপতি পদ থেকে জগদীপ ধনকড়ের পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক ময়দানে চর্চা এখনও থামেনি। তার মধ্যেই নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করে দিল নির্বাচন কমিশন। বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বুধবার কমিশন জানিয়েছে, সংবিধানে নিয়মনীতি মেনেই আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সূচি ঘোষণা করা হবে।
১৯৫২ সালের রাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুসারে, এক বার বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পরে, নির্বাচন কমিশনকে সর্বোচ্চ ৩২ দিনের মধ্যে মনোনয়ন, যাচাই-বাছাই, মনোনয়ন প্রত্যাহার, ভোটগ্রহণ এবং গণনা-সহ সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সেই অনুযায়ী, ভারতের পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতির নির্বাচন ও শপথ গ্রহণ ২০২৫ সালের অগস্টের মধ্যে হবে বলে জানা গিয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১৪ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে মনোনয়নপত্র ।
জগদীপ ধনকড়ের পরে জল্পনায় উঠে আসছে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ও কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের নাম। এ ছাড়াও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নাম উল্লেখ করা হতে পারে বলেও খবর। এ ছাড়া জম্মু কাশ্মীর ও দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা ও ভিকে সাক্সেনার নাম প্রস্তাবের সম্ভাবনাও রয়েছে। একাংশের দাবি, ডেপুটি চেয়ারপার্সন হরিবংশ নারায়ণ সিংকেই প্রার্থী করা হবে পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি পদের জন্য। আপাতত ধনকড়ের অনুপস্থিতিতে রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের পদ সামলাচ্ছেন তিনিই।




