খবর লাইভ : সোমবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট ফের একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানালেন। তিনি অবহিত করলেন যে, “আমরা ভারত‑যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাণিজ্য চুক্তিগুলো প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। খুব শিগগিরই প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর বাণিজ্য দল তা ঘোষণা করবে।”
উল্লেখযোগ্যভাবে, তিনি ভারতকে “ভূমধ্যপথে অবস্থানরত একটি অত্যন্ত রাজনৈতিক জোটসঙ্গী” হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী মোদির মধ্যকার “খুবই ভালো সম্পর্ক”কেও গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরেছেন ।
অগ্রগতি ও বাধাগুলোর এক ঝলক
মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক জুনের শুরুতে ইতিবাচক তথ্য দিলেন: “দুটি দেশের মধ্যে একটি চুক্তি শিগগিরই চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে।”
গত জুনে আরও একটি সূত্র জানিয়েছে, “দুটি দেশ জুনে একটি মাঝারি সময়সীমার ‘ইন্টারিম’ চুক্তি ঘোষণা করতে পারে” ।
সর্বশেষ, রয়টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “চুক্তির দায়িত্বপ্রাপ্তরা এখনও বেশ কিছু ইস্যু নিয়ে দুশ্চিন্তা করছ। বিশেষ করে শস্য, ইস্পাত, অটোমোবাইল ও ডিউটির মতো খাতগুলোতে” ।
মূল ইস্যুগুলো – যেখানে দু’পক্ষ এখনো দ্বন্দ্বে
১) কৃষি পণ্য আমদানি করার দাবি ছোট কৃষকদের সুরক্ষা।
২) লৌহ ও অটোমোবাইল ক্ষেত্র ও বাধা নীতি হ্রাস।
৩) প্রতিরক্ষা ও স্থানীয় কর্মসংস্থান।
৪) ডিজিটাল ও সার্ভিস ডেটা ফ্লো ও নন‑ট্যারিফ বাধা নিবারণ স্ট্যান্ডার্ড ও তথ্য সুরক্ষা।
এছাড়াও, ইন্টারিম চুক্তিতে “মার্কেট এক্সেস বৃদ্ধি, শুল্ক হ্রাস ও ডিজিটাল বাণিজ্য সুবিধার প্রাক‑সমঝোতার” কথা বলা হচ্ছে ।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ – প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী মোদির সাক্ষাতের সময় “Mission 500” নামে ট্রেড লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়: ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা ।
মার্চ–জুন ২০২৫ – পেশাগত স্তরে বাণিজ্যচলাচলের প্রযুক্তিগত আলাপ শুরু; বিভিন্ন খাতের উপর গঠনমূলক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে দিকনির্দেশমূলক খসড়া তৈরি হচ্ছে ।
৯ জুলাই ২০২৫ – মার্কিন নির্ধারিত ৯০‑দিনের শুল্ক স্থগিতাদেশের শেষ দিন, যা সময়সীমা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইন্টারিম চুক্তির সম্ভাবনা জুলাই–আগস্টে, এবং পূর্ণসংখ্যক “প্রথম ধাপ” সমঝোতা ফলপ্রকাশ ও চূড়ান্ত রূপে দেওয়া হতে পারে সেপ্টেম্বর–অক্টোবর ২০২৫ এ ।




