International Special News Special Reports

ইরানে হামলার পরেই নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন সহ মার্কিন শহরগুলিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হল

0
(0)

খবর লাইভ : ইরানে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। হামলার পর আমেরিকাতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ইরানের বিরুদ্ধে  মার্কিন বিমান হামলার পর পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের অভ্যন্তরে যে কোনও সম্ভাব্য হুমকি শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তথ্য অনুসরণ করছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, এফবিআই এবং অন্যান্য ফেডারেল, রাজ্য ও স্থানীয় সংস্থাগুলো ইরান বা তার মিত্রদের যে কোনও প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছে।

এছাড়াও নিউ ইয়র্ক সিটি ও ওয়াশিংটন ডিসি পুলিশ ফেডারেল অংশীদারদের সাথে গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করছে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আশেপাশে নিরাপত্তা জোরদার করেছ।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম বলেছেন, ‘আমেরিকান হোমল্যান্ড রক্ষায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করব।’ এদিকে, ওয়াশিংটন ডিসি পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীতে কোনো জানা হুমকি না থাকলেও তারা বাসিন্দা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পর্যটকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করছে।
হোয়াইট হাউস, পেন্টাগন ও ইজরায়েলি দূতাবাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক স্থানগুলোতে অতিরিক্ত সুরক্ষা মোতায়েন করেছে।

ইরানে হামলার আগেই নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সতর্ক করেছিলেন যে ইরানের পক্ষ থেকে যে কোনও সময় হুমকির মাত্রা বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, ইরান সরাসরি হামলার বদলে তার সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে প্রতিশোধ নিতে পারে।

যদিও এখনও পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে কোনও সুনির্দিষ্ট হুমকি শনাক্ত হয়নি, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগামী কয়েক দিনকে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত করেছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো যে কোনও অপ্রত্যাশিত ঘটনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

রবিবার ভোরে (ভারতীয় সময়) ইরানের তিন পরমাণুকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালায় আমেরিকা। ফরডো, ইসফাহান এবং নাতানজ, এই তিন কেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু করেছে মার্কিন সেনা। সেই হামলার মধ্যে দিয়েই ইরান-ইজরায়েল সংঘাতে সরাসরি যোগ দিল আমেরিকা। শুধু তা-ই নয়, ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, আগামী দিনে আরও ভয়ানক এবং আরও প্রাণঘাতী হামলা হতে পারে।

হামলার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পরমাণু সমৃদ্ধিকরণের ক্ষমতাকে ধ্বংস করে দেওয়া। এই দেশটিকে ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক হিসাবে বিশ্বের এক নম্বর’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, ইরানের কারণে সারা বিশ্বে যে আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা বন্ধ করতে আমেরিকা এই হামলা চালিয়েছে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *