জানা গিয়েছে, বর্ষার সময় নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে এমনিই ভিড় হয় ওই জায়গায়। সেতুটির অবস্থা জীর্ণ থাকায় ওর উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। গত কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় লাগাতার ভারী বৃষ্টি হওয়ায় ফুলে ফেঁপে উঠেছে ইন্দ্রায়ণী নদী। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় নদীর সেই রুদ্র রূপ দেখতে ও ছবি তুলতে ভিড় জমিয়েছিলেন বহু পর্যটক। অনুমান, একসঙ্গে সেতুতে বহু মানুষ ওঠায় ভেঙে পড়েছে সেটি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ সেখানে পৌঁছয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। দ্রুততার সঙ্গে শুরু হয় উদ্ধার কাজ। এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে আট জন পর্যটককে উদ্ধার করা গিয়েছে বলে খবর। ভাঙা ব্রিজের অংশের নীচে দুই মহিলারও আটকে পড়ার খবর মিলেছে। স্থানীয়দের দাবি, জরাজীর্ণ ব্রিজটি শেষ চার-পাঁচ বছর আগে মেরামত করা হয়েছিল। সেতুর খারাপ অবস্থা অনুমান করেই এড়িয়ে চলেন তাঁরা, কিন্তু পর্যটকদের পক্ষে তা জানা সম্ভব নয়। উৎসাহী হয়েই একসঙ্গে বহু মানুষ সেতুতে উঠে পড়েছিলেন আর তাতেই বিপত্তি।
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এই দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি বিভাগীয় কমিশনার এবং পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু লোক আহত হয়েছেন এই দুর্ঘটনায়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিছু লোক আটকা পড়েছেন। NDRF সেখানে পৌঁছে গিয়েছে এবং উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। সম্ভবত কিছু লোক ভেসে গিয়েছে। তবে এই বিষয়ে আমরা এখনও হতাহতের কোনও নিশ্চিত তথ্য পাইনি।’
এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে রেল, অসামরিক বিমান পরিবহণ এবং এখন সড়ক, একের পর এক দুর্ঘটনায় আমরা হতবাক ও স্তম্ভিত। আজ পুনের কাছে ইন্দ্রায়ণী নদীর উপর সেতু ধসে পড়ার ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।



