International Special News Special Reports

অভিবাসীদের ধরপাকড়ের বিরোধিতায় উত্তাল লস অ্যাঞ্জেলেস, চলছে ব্যাপক তল্লাশি

0
(0)

খবর লাইভ : ফের উত্তপ্ত লস অ্যাঞ্জেলেস। অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে শহর জুড়ে বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। নথিহীন অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাল্টা ন্যাশনাল গার্ড নামিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। চলছে ব্যাপক ধরপাকড়। রাস্তার মোড়ে মোড়ে টহলদারি চালাচ্ছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। পাঠানো হচ্ছে অতিরিক্ত বাহিনীও।

মার্কিন অ্যাটর্নি অফিস সূত্রে খবর, লস অ্যাঞ্জেলেস জুড়ে অভিযান চালিয়ে ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE)। এই অভিযান ট্রাম্পের নয়া অভিবাসন নীতির অংশ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এর পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লস অ্যাঞ্জেলেস। ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামেন অবৈধ অভিবাসীরা।

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফেডারেল ডিটেনশন সেন্টারের সামনে জড়ো হন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। দাবি, ধৃতদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশে দাবি, তাঁদের লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ে বিক্ষোভকারীরা। ডিটেনশন সেন্টারেও ঢোকার চেষ্টা করেন অনেকে।

‘অবৈধ’ অভিবাসীদের উদ্দেশে আগেই ট্রাম্প সরকার বার্তা দিয়েছে, আমেরিকা ছেড়ে চলে যেতে হবে। যদি পরে মনে হয়, সেই অভিবাসীরা কর্মক্ষম–পারদর্শী ছিলেন, আবার সাদরে ডেকে আনা হবে। তবে এখন যদি তাঁরা নিজেদের দেশে ফিরে না যান, তা হলে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিল ট্রাম্প সরকার।

এরই মধ্যে ১ জুন থেকে অশান্তি শুরু হয়। লস অ্যাঞ্জেলেসে যে হেতু সব থেকে বেশি সংখ্যক অভিবাসীরা থাকেন, ফলে অশান্তির আগুনে এই মুহূর্তে জ্বলছে শহর। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। ছোড়া হয় টিয়ার গ্যাস। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরাও ভাঙচুর শুরু করে। একাধিক গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। বিভিন্ন দোকানে চলে অবাধ লুঠপাট।

শনিবারও প্যারামাউন্টে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বেশ কিছু ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, মুখ ঢেকে রাস্তায় তাণ্ডব চালানো হচ্ছে। তাদের হাতে ‘ICE আউট অফ প্যারামাউন্ট’ প্ল্যাকার্ড। কারও হাতে মেক্সিকোর পতাকা।

এরপরই ২০০০ ন্যাশনাল গার্ড ট্রুপ নামায় ট্রাম্প প্রশাসন। শুরু হয় ব্যাপক ধরপাকড়। অতিরিক্ত বাহিনীও নামানো হবে বলে জানা গিয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এই সিদ্ধান্তকে ‘উস্কানিমূলক’ বলে মন্তব্য করেছেন। পাল্টা ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘গভর্নর গ্যাভিন ‘নিউস্কাম’ আর লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন ব্যাস যদি নিজেদের কাজ না করতে পারেন, তাহলে ফেডেরাল সরকার হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হবে। এই দাঙ্গা ও লুঠপাটের সমস্যার সঠিক সমাধানও করবে।’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *