খবর লাইভ : গত ৪ জুন বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) আইপিএল শিরোপা জয়ের পর অনুষ্ঠিত বিজয় মিছিল চলাকালীন এক মর্মান্তিক পদপিষ্ট দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন নিহত এবং ৫০ জনেরও বেশি আহত হন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, অতিরিক্ত ভিড় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবে এই ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর আরসিবি কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা স্টেডিয়ামের বাইরে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি জানতেন না। তবে পরিস্থিতি জানার পর তারা অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করে দেন। আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল বলেন, “অত্যন্ত দুঃখজনক। স্টেডিয়ামের বাইরের ঘটনা সম্পর্কে আরসিবি কর্তৃপক্ষ কিছু জানতেন না। তাঁরা জানার পরই অনুষ্ঠান ছোট করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আমরাও বিজয় উৎসব বন্ধ করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি।”
বিসিসিআই সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা বলেন, “মর্মান্তিক। ঠিক কী কারণে এমন ঘটল, তা আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয়। আমরা কাউকে দোষারোপ করতে চাই না। কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থার কাছ থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর বোঝা যাবে।”
বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ শইকিয়া বলেন, “অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। এটা জনপ্রিয়তার নেতিবাচক দিক। ভক্তেরা প্রিয় ক্রিকেটারদের দেখার জন্য পাগলের মতো আচরণ করেন। আরসিবির আইপিএল জয়ের উৎসবের আয়োজন আরও ভালভাবে করা উচিত ছিল আয়োজকদের। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”
এই দুর্ঘটনার পর কর্নাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন জানায়, তারা পাসের ব্যবস্থা করেছিল আরসিবি ভক্তদের জন্য। বলা হয়, আগে আসার ভিত্তিতে পাস দেওয়া হবে। তাই এ দিন সকাল থেকেই চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন উচ্ছ্বসিত ভক্তেরা। কর্নাটক প্রশাসনের ধারণার থেকে অনেক বেশি মানুষের জমায়েত তৈরি হয়ে যায় দুপুরের মধ্যেই। নির্দিষ্ট সময় স্টেডিয়ামের গেট খুলতেই পাস নেওয়ার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু করে দেন বহু মানুষ। এ সময় পরিস্থিতি সামলাতে লাঠি চার্জ করে পুলিশ। তাতে উল্টে আরও জটিল হয় পরিস্থিতি।




