International Special News Special Reports

শান্তি বৈঠকে মুখোমুখি রাশিয়া ইউক্রেন, আকাশপথে হামলা বন্ধ করতে হবে রাশিয়াকে: জেলেনস্কি

0
(0)

খবর লাইভ : রবিবার রাশিয়ার উপর বড় মাপের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। সাইবেরিয়া-সহ রাশিয়ার বিভিন্ন স্থানে বিমানঘাঁটিতে হামলা করেছে কিয়েভ। যার জেরে পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম বোমারু বিমান থেকে শুরু করে বেশ কয়েকটি রুশ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঠিক তার পরের দিনই, সোমবার, তুরস্কের রাজধানী ইস্তানবুলে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা সারল যুযুধান দুই দেশ।

যদিও এ দিনের আলোচনা এক ঘণ্টাও চলেনি। নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা পরে শুরু হয়েছিল এই আলোচনা। কেন এই দেরি, তার কোনও ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি। বসফরাসের ধারে অবস্থিত বিলাসবহুল সিরাগান প্রাসাদে হয় এই আলোচনা। মুখোমুখি বসেছিলেন রুশ এবং ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিরা। তাদের উদ্দেশে তুরস্কের বিদেশমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, ‘গোটা বিশ্বের দৃষ্টি এখন এখানে রয়েছে।’

তিনি জানান, এই বৈঠকের লক্ষ্য যুদ্ধবিরতির জন্য পরিস্থিতির মূল্যায়ন করা। রুশ এবং ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টরা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করতে পারবেন কিনা, সেই সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা। আরও বন্দি বিনিময় করা যায় কিনা, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হবে।

কিয়েভের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ দিনের আলোচনার সময়ে শিশুদের একটি লম্বা তালিকা রাশিয়ার হাতে তুলে দিয়েছে ইউক্রেনের প্রতিনিধিদল। ইউক্রেনের দাবি, শয়ে শয়ে শিশুকে জোর করে ইউক্রেন থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছে রুশ বাহিনী।

উল্টো দিকে মস্কোর দাবি যুদ্ধের হাত থেকে ওই শিশুদের রক্ষা করার জন্যই তাঁদের ইউক্রেন থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যে দাবিই সত্যি হোক, তাদের রাশিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় কিয়েভ। শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে এই শর্ত রেখেছে তারা।

সোমবারের আলোচনা সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত আর কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি এ দিন ছিলেন লিথুয়ানিয়ায়। সেখান থেকে তিনি জানান, দুই পক্ষই নতুন যুদ্ধবন্দি বিনিময়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অন্য দিকে, শান্তি-আলোচনার মধ্যেই পূর্ব ইউরোপে আকাশপথে হামলা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। রুশ সীমান্তবর্তী ক্রামাটরস্কে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত দু’জন। ইলিনিভিকায় মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলে মৃত্যু হয়েছে দুই মহিলার। ইউক্রেনের দাবি, প্রতি দিন ইউক্রেনে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। এই হামলা বন্ধ না-হলে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে কিভ। এই বিষয়ে আমেরিকার হস্তক্ষেপও চেয়েছেন জ়েলেনস্কি। তিনি বলেন, “আমরা আমেরিকার কঠোর পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষা করছি। আমার মনে হয় (ডোনাল্ড) ট্রাম্প (রাশিয়ার উপর) বিধিনিষেধ আরোপ করাকে সমর্থন করবেন এবং যুদ্ধ থামাতে পুতিনকে বাধ্য করবেন।”

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *