খবর লাইভ : বীরভূমের পাশাপাশি কলকাতাতেও বিভাস অধিকারীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় সিবিআই। বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশির পর সিল করে দেওয়া হয় আমহার্স্ট স্ট্রিটের ফ্ল্যাট।
নববর্ষের দিন সকাল থেকেই তৎপর সিবিআই । একের পর এক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে এই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি। নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ানো একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে হানা দিয়েছেন গোয়েন্দারা। সেই তালিকায় আছেন তৃণমূলের নেতা বিভাস অধিকারীরও । এদিন তাঁর বীরভূমের নলহাটির পাশাপাশি কলকাতার আমহার্স্ট স্ট্রিট বাড়িতে যান গোয়েন্দারা। এই ফ্ল্যাটটি আগেই সিল করে দিয়েছিল ইডি। সেই সিল ভেঙে সকালে ভেতরে ঢোকেন সিবিআই আধিকারিকরা। তারপর আবার সেই ফ্ল্যাট গালা দিয়ে সিল করে দেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ জীবনকৃষ্ণের বাড়ির আঁস্তাকুড়েতেও তথ্য খুঁজছে সিবিআই!
প্রসঙ্গত, গত নভেম্বর মাসে বিভাসের এই ফ্ল্যাট সিল করে দিয়েছিল ইডি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সেই সিল করা ফ্ল্যাটে ফের যায় তারা। তল্লাশি করে আবার সিল করে দেয় ফ্ল্যাট। সেই ফ্ল্যাটেই শনিবার যায় সিবিআই।
নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তল ঘোষ, তাপস মণ্ডল কিংবা গোপাল দলপতির মুখে বারবার শোনা গেছে বিভাস অধিকারীর নাম। ইডি, সিবিআইকে আদালতে বারবার সেই কথা বলতেও শোনা গিয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতিতে বিভাস অধিকারীর বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ জোগাড় করতেই এদিন তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি।বিভাস অধিকারী, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলেও খবর। শোনা যায়, পার্থর হাত ধরেই রাজনীতিতে আসা বিভাসের, তারপর জেলা রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রও হয়ে ওঠেন তিনি।
যদিও বিভাসকে আগে বারবার বলতে শোনা গিয়েছে যে, তিনি কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন। ইডি-সিবিআই যেই ডাকুক না কেন সবসময় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তিনি।তবে কেন্দ্রীয় এজেন্সি ইডি দাবি করেছে, বারাসাতের শিক্ষক তাপস মণ্ডলের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন হয়েছে বিভাসের। সেই লেনদেন কোন সূত্রে হয়েছে সেটাই জানতে চান গোয়েন্দারা।
তারমধ্যেই এদিন বিভাসের দুই জায়গার বাড়িতে যায় সিবিআই। সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের হাতে কিছু তথ্য এসেছে যা থেকে নিয়োগ দুর্নীতিতে বিভাসের যোগের প্রমাণ মিলেছে। সেই তথ্যের সূত্র ধরেই সিবিআই তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।




