খবর লাইভ : হাওড়ার পর এবার হুগলি। ফের বিজেপির রামনবমীর মিছিল ঘিরে অশান্তি। রবিবার, রিষড়ায় বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হয়। অভিযোগ, তারপরেই আচমকা এলাকায় অশান্তি বাধে। ভাঙচুর, ইটবৃষ্টি, আগুন! বাদ গেল না কিছুই। রিষড়ার পুলিশ সূত্রের খবর, ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে কাঁদানে গ্যাসের সেলও ফাটানো হয়।
এই ঘটনার পরে কড়া বার্তা দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি বলেন, সরকার কঠোর হাতে এই ধরনের কাজ দমন করছে। কাউকে ছাড়া হবে না । যারা এই ধরনের ঘটনার মাধ্যমে রাজ্যকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হুগলির রিষড়ার এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, ‘আজকে হুগলি জেলায় ভারতীয় জনতা পার্টির একটি শোভাযাত্রা ছিল। সেখানে বিজেপি-র কর্মী, সমর্থকরাই ভাঙচুর শুরু করেন। নেতৃত্বে ছিলেন দিলীপ ঘোষ। সাধারণ মানুষের সম্পত্তি ভাঙা হয়েছে, অগ্নিসংযোগকরা হয়েছে। তাহলে এটা বোঝা যাচ্ছে যে দিলীপ ঘোষ যেটা করলেন, তা পূর্বপরিকল্পিতই ছিল। অশান্তি ছড়ানোর বিষয়টা আগে থেকে পরিকল্পনা করেই করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রামনবমীর দিনে হাওড়াতেও ভাঙচুর করেছে বিজেপি। এর আগেও নবান্ন অভিযানে আমরা দেখেছি ওদের ধ্বংসাত্মক উদ্দেশ্য। ফলে দেখা যাচ্ছে, কেন্দ্রে বিজেপির শাসনকালে দাঙ্গার সংখ্যা বেড়েছে সারা ভারতে। হুগলিতে আজ যা হল, কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। এই অশান্তি ছড়ানো যাবে না। তীব্র ভাষায় নিন্দা করা হচ্ছে।’
হুগলির ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদ কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, হুগলি জেলায় যে ঘটনাটি ঘটেছে তা পূর্বপরিকল্পিত। রামনবমীর নামে রাজ্যে অশান্তি করার চেষ্টা করছে বিজেপি। এই ঘটনার দায় বিজেপির। রামনবমীর পরেও কীসের মিছিল করে বিজেপি? আমরা পুলিশের কাছে আবেদন করব যারা এই ধরণের অশান্তি করার চেষ্টা করছেন তাদের বিরুদ্ধে যেন উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।




