খবর লাইভ : রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর নিজেদের প্রথম ম্যাচে ব্যবহারই করল না ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’কে।
রবিবার প্রথমে ব্যাট করে ১৭১ রান তোলে মুম্বই। সেই রান তাড়া করতে নেমে একটা সময় মনে হচ্ছিল বেঙ্গালুরুর দুই ওপেনার বিরাট কোহলি এবং ফ্যাফ ডুপ্লেসি মিলেই জয়ের রান তুলে নেবেন। যদিও শেষ পর্যন্ত ১৪৮ রানের মাথায় আউট হন ডুপ্লেসি। বেঙ্গালুরুর তখন বাকি ২৪ রান। তাই সেই সময় আর ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ প্রয়োজন হয়নি বেঙ্গালুরুর।
আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে আইপিএল অভিযান শুরু রাজস্থানের
বেঙ্গালুরু দলে ভারসাম্য এতটাই যে টপলে বার হয়ে গেলেও ২০ ওভার করতে সাত বোলার ব্যবহার করে তারা। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে কোনও অসুবিধাই হল না তাদের। দু’টি উইকেট নেন করণ শর্মা। একটি করে উইকেট নেন সিরাজ়, টপলে, আকাশ দীপ, হর্ষল পটেল এবং মাইকেল ব্রেসওয়েল।
বেঙ্গালুরুর পুরো দল মুম্বইয়ের উপর যে ভাবে ‘ইমপ্যাক্ট’ তৈরি করল তাতে আলাদা করে কোনও ক্রিকেটারকে প্রয়োজন পড়ল না তাদের। সহজেই ম্যাচ জিতে নিলেন বিরাটরা।
পরিসংখ্যান বলছে, ৩০ বারের সাক্ষাৎকারে ১৭ বারই জয়ী মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। যেখানে ১৩ বার জিতেছে ব্যাঙ্গালোর। কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে যে পরিসংখ্যান ধোপে টেকে না! রবিবাসরীয় সন্ধেতে মিলল ফের সেই প্রমাণ। মুম্বই বোলারদের একেবারে ধুয়ে-মুছে দিল আরসিবির ওপেনিং জুটি। দেশের জার্সিতে ইতিমধ্যেই স্বমহিমায় ফিরতে শুরু করেছেন কোহলি। কিং কোহলির সেই দাপুটে রূপেরই এদিন সাক্ষী রইল চিন্নাস্বামী। ৪৫ তম হাফ-সেঞ্চুরি হাঁকালেন প্রাক্তন অধিনায়ক। আর বর্তমান অধিনায়কও বুঝিয়ে দিলেন, চোট-আঘাতে জর্জরিত দল নিয়েও বিপক্ষকে হেলায় হারানো সম্ভব।




