খবর লাইভ : জি সেভেন বৈঠকে চিনের বিরুদ্ধে সরব সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশ। বিশ্বের বৃহৎ গণতন্ত্রগুলির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে ড্রাগনরা। চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে। আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা, জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স, জাপান সব দেশই এমন কথা বলছে।
বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে আর্থিক সাহায্যের নামে তাদের ওপর আধিপত্য স্থাপনের চেষ্টা করছে চিন। আধুনিক বিশ্বে নয়া সাম্রাজ্যবাদের সংজ্ঞা দিচ্ছে জিনপিং-এর প্রশাসন। চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের বিকল্প আর একটি প্ল্যাটফর্ম তাই বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে জোট জি সেভেন দেশগুলি। যার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবে ধনী দেশগুলির এই জোট। চিনের সাম্রাজ্যবাদী নীতিকে আটকাতে যে এই পদক্ষেপ তা স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে। জি সেভেন সম্মেলনে চিনের বিরুদ্ধে সুর বাড়তেই পাল্টা মন্তব্য করেছে বেজিং। লন্ডনে চিনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেন, ‘সেই দিন চলে গেছে যখন গুটিকয়েক দেশ ছোট গোটা বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করতে পারত।’ ঔদ্ধত্যপূর্ণ এই মন্তব্য বিশ্বজুড়ে চিনের একাধিপত্য বিস্তারের মনোভাবই ফুটে উঠেছে বলে মনে করছে জি সেভেন অন্তর্ভুক্ত দেশগুলি।




