খবর লাইভ : শেষ রক্ষা হল না। দীর্ঘ এক যুগ বাদে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি হারালেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। রবিবার ইজরায়েলের সংসদ নেসেটে নেতানিয়াহুর পক্ষে ৫৯টি ভোট পড়ে। আর নতুন জোট সরকার গড়ার পক্ষে ভোট পড়েছে ৬০টি। নেতানিয়াহু ক্ষমতাচ্যূত হওয়ার পরে ইজরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন নাফতালি বেনেত। নেতানিয়াহুর ক্ষমতাচ্যূত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরেই জয়ের উল্লাসে মেতে উঠেছেন ইজরায়েলের সাধারণ মানুষ।
১৯৯৬ সালে প্রথমবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তার পরে টানা ১২ বছর ইহুদি প্রধান দেশের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি বছরের মার্চে দেশের সাধারণ নির্বাচনে সংসদে নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি নেতানিয়াহুর দল। কিন্তু পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। সরকার চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেননি মার্কিন ও ভারত বান্ধব হিসেবে পরিচিত নেতানিয়াহু।
উল্টোদিকে মধ্যপন্থী হিসেবে পরিচিত ইয়েস আতিদ পার্টির জাইর লাপিদ নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যূত করতে বিভিন্ন দলগুলিকে একমঞ্চে নিয়ে আসতে সক্ষম হন। ডানপন্থী জাতীয়তাবাদী নেতা হিসেবে পরিচিত জামিনা পার্টির নাফতালি বেনেতকে প্রধানমন্ত্রী পদ ছেড়ে দেন। নয়া জোট গঠনের শর্ত হিসেবে বেনেত ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার পরে দুই বছরের জন্য তিনি লাপিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।
রবিবার বিকেল ৪টে নাগাদ ইজরায়েলের সংসদ নেসেটের বিশেষ অধিবেশন শুরু হয়। নেতানিয়াহুর পাশাপাশি বিরোধী জোটের দুই নেতা নাফতালি বেনেত ও ইয়ার লাপিদও নিজেদের বক্তব্য রাখেন। সংসদে দাঁড়িয়ে এদিন বার বার নেতানিয়াহু বলেন, ‘জোট সরকার ইজরায়েলকে ধ্বংস করে দেবে। দেশকে বাঁচাতে জোট সরকারকে গড়া আটকাতে হবে।’ কিন্তু সেই চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি।




