District Special News

ধৃত চিনা নাগরিক আসলে গ‍ুপ্তচর‍? এজেন্টকে আজই জিজ্ঞাসাবাদ এনআইএ-র

0
(0)

খবর লাইভ : সত্যি হল সন্দেহ। মালদায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গ্রেফতার হওয়া চিনা নাগরিক আসলে সেই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার হয়েই কাজ করত। তার থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন বৈদ্যুতিন সরঞ্জামগুলি থেকে যাবতীয় তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারী অফিসাররা। জেরায় সে জানিয়েছে, তার নাম হান জুনওয়ে। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও মোট চারবার ভারতে এসেছে সে। শুক্রবার এমনটাই বিবৃতি দিয়ে জানানো হয় বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের তরফে। ধৃত ব্যক্তিকে এবার জেরা করবে এনআইএ। ইতিমধ্যেই এনআইএ-র তদন্তকারীরা মালদা বিএসএফ ক্যাম্পে পৌঁছেছেন। বিএসএফ থেকে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়েছেন তদন্তকারীরা। আজই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের সম্ভাবনা এনআইএ-র ।

সন্দেহজনকভাবে ওই চিনা নাগরিককে শুক্রবার ভারত বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। বিএসএফ সূত্রে খবর, জওয়ানদের দেখে সে পালানোর চেষ্টা করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে পাকড়াও করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, গত ২ জুন ব্যবসায়িক ভিসায় চিন থেকে ঢাকায় গিয়েছিল। ৮ জুন সে নবাবগঞ্জে যায়। ১০ তারিখ ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে অনুপ্রবেশ করেছিল। এর আগেও চারবার ভারতে এসেছিল সে। ২০১০ সালে হায়দরাবাদ এবং ২০১৯ সালের পরে তিনবার দিল্লি গুরুগ্রামে এসেছিল। তার কথা মতো গুরুগ্রামে তার একটি হোটেল রয়েছে। যার নাম ‘স্টার স্প্রিং’। ওই হোটেলে তার কয়েকজন বন্ধু আছে, যারা চিন থেকে এসেছে।

পুঙ্খানুপুঙ্খ জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, ব্যবসায়িক অংশীদার সান জিয়াং তাকে ১০ -১৫ টা ভারতীয় সিম কার্ড পাঠিয়েছিল। যেগুলি তার স্ত্রীও ব্যবহার করত। তবে কিছুদিন আগে তার ব্যবসার অংশীদার লখনউয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই চিনা গুপ্তচরের থেকে একটি ল্যাপটপ, দুটি মোবাইল-সহ ১টি বাংলাদেশি সিম, ১টি ভারতীয় সিম, ২টি চাইনিজ সিম, ২টি পেন ড্রাইভ, ৩টি ব্যাটারি, ২টি ছোট টর্চ, ৫টি টাকা লেনদেনের মেশিন, ২টি এটিএম কার্ড, ইউএস ডলার, বাংলাদেশি টাকা এবং ভারতীয় মুদ্রাও উদ্ধার করা হয়।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *