খবর লাইভ : বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে খড়দহ কেন্দ্রে এবার জনসংযোগ শুরু করে দিলেন তৃণমূলের সম্ভাব্য প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। যদি তাই হয় তবে প্রশ্ন উঠছে অমিত মিত্র কী তাহলে আর প্রার্থী হচ্ছেন না? আর যদি তা নাই হন তাহলে তো তিনি আর রাজ্যের অর্থমন্ত্রীও থাকতে পারবেন না! সেক্ষেত্রে নতুন অর্থমন্ত্রী কে হবেন এই রাজ্যে? এইসব প্রশ্নও কিন্তু উঠছে।
মঙ্গলবার সকালে কলকাতা থেকে খড়দহ পৌঁছন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। প্রথমেই শ্যামের মন্দিরের গিয়ে পুজো দেন তিনি। খড়দহে ‘দুয়ারে ভোজন’ নামে এক কর্মসূচি চালু করেছে তৃণমূল। শ্যাম মন্দির থেকে বেরিয়ে সেই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন শোভনদেব। সবশেষে যান খড়দহ কেন্দ্রের তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী কাজল সিনহার বাড়িতে, কথা বলেন তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে। কাজল সিনহার মৃত্যু কারণেই খড়দহে উপনির্বাচন হতে চলেছে।
এদিন খড়দহে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শোভনবদেববাবুকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় যে, তিনি কী নিজের ইচ্ছায় প্রার্থী হচ্ছেন নাকি দল তাঁকে প্রার্থী করেছে? এর উত্তরে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের জানান, ‘দলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলতে পারি না। আমি শৃঙ্খলাপরায়ণ মানুষ।’
প্রসঙ্গত, গত ২১মে ভবানীপুর কেন্দ্রের বিধায়কের পদ থেকে ইস্তফা দেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। স্পষ্ট করে দেন, ভবানীপুরে প্রার্থী হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। সেজন্যই তাঁর ইস্তফা। কিন্তু বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেও মন্ত্রিত্ব ছাড়েননি তৃণমূলের এই বর্ষীয়ান নেতা। এখনও তিনি রাজ্যের মন্ত্রী। আর তাই তাঁকে আগামী ৫ মাসের মধ্যে বিধায়ক হতে হবে। যদিও তৃণমূল সূত্রে খবর, দল এই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। অমিত মিত্রকে বোঝানো হচ্ছে খড়দহ থেকেই প্রার্থী হতে। তিনি একান্তই রাজি না হলে, দল বিকল্প মুখের কথা ভাববে।




